‘ডেথ পুল’ বা মৃত্যুপুরীর হদিস পেলেন বিজ্ঞানীরা

যম-যমালয়-মৃত্যুপুরী…এসব রূপকথায় শোনা যায়। কিন্তু এ বার সত্যিকারের মৃত্যুপুরীর হদিস দিলেন বিজ্ঞানীরা।  যে পুলে নামলে আর বেঁচে ফেরা যায় না।

আরও পড়ুন:সপ্তাহের শুরুতেই নিম্নমুখী দেশের কোভিড গ্রাফ

লোহিত সাগরের প্রায় ছ’হাজার ফুট গভীরে সম্প্রতি ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই মৃত্যুপুরীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। স্যাম পুরকিস নামে এক বিজ্ঞানী লাইভ সায়েন্স-এ দাবি করেছেন, নোনাজলের ওই পুলে নামামাত্রই মৃত্যু হতে পারে যে কোনও প্রাণীর।কিন্তু কেন ? সেই ব্যাখাও দিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞানী স্যাম জানিয়েছেন, এই পুলে লবণের মাত্রা অত্যধিক। এই এলাকার জল সমুদ্রের সাধারণ জলের চেয়ে তিন থেকে আট গুণ বেশি লবণাক্ত। শুধু তাই নয়, ওই জলে অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের মাত্রাও অনেক। এখানে রয়েছে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের ভান্ডার। ফলে সমুদ্রের জলের থেকে এই পুলের জলের ফারাক বেশ অনেকটাই। তা ছাড়া এই পুলে অক্সিজেনের কোনও অস্তিত্বই নেই। আর তার জেরে মুহূর্তেই মারা পড়তে পারে যে কোনও প্রাণী।

তিনি আরও জানান যে, এই আবিষ্কার জরুরি ছিল।। এর ফলে  পৃথিবীতে কী ভাবে সমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছিল, তা জানতে সাহায্য করবে।  এর থেকেই আন্দাজ করা যাবে অন্য কোনও গ্রহে এ রকম পরিস্থিতিতে কোনও প্রাণী বেঁচে আছে কি না।









Previous articleহাই কোর্ট সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্য: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ বার অ্যাসোসিয়েশনের