দিল্লি-গুজরাতের নেতাদের রাজ্যকে “বঙ্গাল” উচ্চারণ ব্যথা দেয়! রূপার নিশানায় মোদি-শাহ?

রূপার দাবি, বাংলার সংস্কৃতি ও ভাবাবেগ সম্পর্কে কোনও ধারনা নেই ভিন রাজ্যের নেতাদের। তিনি সাংগঠনিক বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্বকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের নাম উচ্চারণের ক্ষেত্রে যাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়

দিল্লি-গুজরাত-উত্তর প্রদেশ-মধ্যপ্রদেশ থেকে বিজেপির বহিরাগত নেতারা বাংলায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এসে ভাষণ দেওয়ার সময় রাজ্যের নাম “বঙ্গাল” উচ্চারণ করে থাকেন। সেটা তাঁদের প্রদেশিকতার টানের জন্য হলেও একজন বাঙালি হিসেবে বাংলাকে দলীয় নেতাদের “বঙ্গাল” উচ্চারণ মেনে নিতে পারছেন না বিজেপির রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। এই ঘটনা তাঁকে ব্যথা দেয় বলেও পার্টির কর্মসূচিতে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন রূপা।

প্রসঙ্গত, একুশের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে “বাংলা নিজের মেয়েকে চায়” স্লোগানে বাজিমাত করেছিল তৃণমূল। একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘’বহিরাগত’’ তত্ত্ব খাড়া করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল। এবং বঙ্গবাসী তা গ্রহণ করেছিল। দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে, ভোট প্রচারে কিংবা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মোদি থেকে শাহদের মুখে “হামে বঙ্গাল চাহিয়ে” মন্তব্য শোনা গিয়েছে। না প্রত্যাখ্যান করেছেন রাজ্যের মানুষ।

বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ও। তাই রূপার দাবি, বাংলার সংস্কৃতি ও ভাবাবেগ সম্পর্কে কোনও ধারনা নেই ভিন রাজ্যের নেতাদের। তিনি সাংগঠনিক বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্বকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের নাম উচ্চারণের ক্ষেত্রে যাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। রাজ্যের প্রকৃত নাম পশ্চিমবঙ্গ, তাই বিজেপির সমস্ত কর্মসূচিতে এই নামেই রাজ্যকে সম্বোধন করা উচিত বলেই মনে করেন রূপা।দলীয় নেতৃত্বের সামনে তাঁর স্পষ্ট কথা, “বঙ্গাল” নামে কোনও রাজ্য নেই। সেটাই মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন। রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের সতকর্বার্তা যে মোদি-শাহদের মতো শীর্ষ নেতাদের দিকেই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন:পার্থ বান্ধবী অর্পিতার ডায়েরি-চিরকুট-নোটবুকে শিক্ষক নিয়োগে লেনদেনের তথ্য! দাবি ইডির

 

Previous articleপার্থ বান্ধবী অর্পিতার ডায়েরি-চিরকুট-নোটবুকে শিক্ষক নিয়োগে লেনদেনের তথ্য! দাবি ইডির