অর্পিতাকে চোখে হারাতেন পার্থ! দেখা না হলেই মেজাজ থাকতো খিটখিটে

অজানা সেই গল্প থেকেই বেরিয়ে আসছে একের পর এক "রোমান্টিকতা"র ছোঁয়া। মাসে অন্তত ২০দিন একান্তে সময় কাটাতেন পার্থ-অর্পিতা। পার্থর নাকতলার বাড়িতে যেমন ঘন ঘন যাতায়াত ছিল অর্পিতার। ঠিক একইভাবে টালিগঞ্জে অর্পিতার ডায়মন্ড সিটি ফ্যাটে যেতেন পার্থ

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বিশেষ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সম্পর্ক কতটা “ঘনিষ্ঠ” ছিল, গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে জোরচর্চা বিভিন্ন মহলে। পার্থ তখন রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী, শাসক দলের হেভিওয়েট নেতা। তাই দিনের আলোয় বান্ধবীর সঙ্গে মেলামেশা করতেন না। কিন্তু রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামি গাড়িতে বান্ধবীকে পাশে বসিয়ে একান্তে সময় কাটাতে লং রুটে চলে যেতেন মাঝেমধ্যে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্থর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা অনেকেই এবার ধীরে ধীরে হাড়ি থেকে গল্প বের করছেন।

পার্থ-অর্পিতার সম্পর্ক নতুন নয়। সম্পর্কের গভীরতাও অনেক দূর বিস্তৃত। বয়সের তারতম্য যেখানে একটি সংখ্যা মাত্র। ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা যাঁরা পার্থকে “দাদা” সম্মোধন করতেন, তাঁরা অর্পিতাকে ‘‘দিদি’’ বলে ডাকতেন। এবার তাঁদের মধ্যে অনেকেই দাদা-দিদির বন্ধুত্বের গল্প সামনে আনছেন।

অজানা সেই গল্প থেকেই বেরিয়ে আসছে একের পর এক “রোমান্টিকতা”র ছোঁয়া। মাসে অন্তত ২০দিন একান্তে সময় কাটাতেন পার্থ-অর্পিতা। পার্থর নাকতলার বাড়িতে যেমন
ঘন ঘন যাতায়াত ছিল অর্পিতার। ঠিক একইভাবে টালিগঞ্জে অর্পিতার ডায়মন্ড সিটি ফ্যাটে যেতেন পার্থ। এবং সেটা রাতের অন্ধকারেই হতো বেশিভাগ। বেহালা ম্যান্টনে পার্থর বিধায়ক অফিসেও আসা-যাওয়া ছিল অর্পিতার। সেখানে সকলেই তাঁকে চেনেন।

একদিনের একটি ঘটনার গল্প শোনা যাচ্ছে। যেখানে একবার রাত ৯টার পর বেহালার ম্যান্টনে অফিস থেকে বেরিয়ে কালো রঙের ফরচুনার গাড়িতে ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে পাশে বসিয়ে পার্থর গাড়ি ছুটেছিল দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের দিকে। পার্থ-অর্পিতার নাইট রাইড। একান্তে সময় কাটানো। খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি। কোলাঘাটের। বিখ্যাত শের-ই-পাঞ্জাব ধাবাতেও পার্থ-অর্পিতাকে গভীর রাত পর্যন্ত দেখা গিয়েছে বহুবার। আবার অনেক সময় যেতেন নিউটাউন ধাবাতেও। কাছাকাছির মধ্যে হলে ভবানীপুর বলবন্ত সিং ধাবাতেও যেতেন তাঁরা। ডায়মন্ড হারবারের হোটেল থেকেও গভীর রাতে ফিরতেন কখনও কখনও।

হাটে হাড়ির গল্প আরও বেরিয়ে আসছে। বৃত্তে থাকা মানুষজন বলছেন, পার্থ নাকি চোখে হারাতেন অর্পিতাকে। কোনও কারণে ‘দিদি” সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতের ব্যবধান সামান্য বেড়ে গেলেই “দাদা”র চোখে-মুখে ফুটে উঠত বিরক্তির ছাপ। মেজাজ হারাতেন। খিটখিটে থাকতেন। দিদির এলেই আবার সব ঠিক হয়ে যেত।

আরও পড়ুন:পার্থ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও কোটি কোটি টাকার কাটমানি খেয়েছেন! ইডির হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

 

Previous articleপার্থ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও কোটি কোটি টাকার কাটমানি খেয়েছেন! ইডির হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য