SSC দুর্নীতি: মমতাকে চিঠি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর, ‘রাজনীতি করছেন’ পাল্টা তৃণমূল

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি(SSC Scam) ইস্যুতে এবার রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ময়দানে নেমে পড়ল কেন্দ্রীয় বিজেপি(BJP)। এই ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Mamata Banerjee) চিঠি লিখলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী(Education Minister) ধর্মেন্দ্র প্রধান(Dharmendra Pradhan)। চিঠিতে মমতাকে উদ্দেশ্য করে তিনি লেখেন, সমাজের স্তম্ভ শিক্ষক। এই শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি শিক্ষার মানের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুৎসাহিত করবে। যদিও এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর এহেন চিঠিকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থ হিসেবে দেখছে তৃণমূল।

মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে ২০১৪ সালে নিয়োগে দুর্নীতির শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি ‘গ্রুপ সি’ ও ‘গ্রুপ ডি’ নিয়োগেও প্রসঙ্গ তুলেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি তাঁর দাবি রাজ্যসরকার এবিষয়ে অবিলম্বে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিক। এবং শিক্ষকদের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে যা যা করণীয় তা করুক। প্রসঙ্গত, ঘটনাচক্রে প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেদিন গ্রেফতার হন সেদিন কলকাতাতেই ছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। স্কুল সার্ভিসের আন্দোলনকারী চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে দেখাও করেছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন এ ব্যাপারে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখবেন। আপাতত সেটাই করলেন তিনি।

এদিকে এই ঘটনা শুধুমাত্র রাজনীতি হিসেবে দেখছে তৃণমূল। কারণ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এখন দিল্লিতেই রয়েছেন। এবং আজই সাক্ষাৎ করেছেন অমিত শাহের সঙ্গে। আর এই দিনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের চিঠি শুধু নবান্নে নয়, একইসঙ্গে এসে পৌঁছেছে সংবাদ মাধ্যমের কাছেই। ফলে রাজনীতির যোগটা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এপ্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী রাজনীতির মধ্যে না ঢুকলেই পারতেন। যে অনিয়ম হয়েছে তা ঠিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত। সেটা কেন্দ্রীয় রিপোর্ট দাবি করে। এটা কি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানেন না? বিজেপি সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় গৈরিকীকরণ করছে। সুতরাং এই ধরনের চিঠি লিখে দলীয় রাজনীতি না করাই ভালো।

আরও পড়ুন- গুজরাট দখলে কেজরির তুরুপের তাস ১০ লক্ষ সরকারি চাকরি এবং ৩ হাজার টাকা বেকার ভাতা

 

Previous articleগুজরাট দখলে কেজরির তুরুপের তাস ১০ লক্ষ সরকারি চাকরি এবং ৩ হাজার টাকা বেকার ভাতা