পার্থকে লক্ষ্য করে জুতো ছুঁড়লেন মহিলা! বললেন “টাকে লাগলে খুশি হতাম”

মঙ্গলবার দুপুরে জোকা ইএসআই হাসপাতাল এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী রইল। যদিও সেই জুতো পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গা পর্যন্ত পৌঁছয়নি

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় ইডি হেফাজতে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে এবার জুতো ছুঁড়ে মারলেন এক মহিলা। মঙ্গলবার দুপুরে জোকা ইএসআই হাসপাতাল এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী রইল। যদিও সেই জুতো পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গা পর্যন্ত পৌঁছয়নি। কেন জুতো ছুঁড়লেন? উত্তরে ওই মহিলা জানান, “রাগ ছিল, জুতো মেরে শান্তি পেয়েছি। কত গরিব মানুষের টাকা লুট করেছে। ওনাকে এসি গাড়িতে নয়, গলায় দড়ি লাগিয়ে টানতে টানতে আনা উচিত। খুব ভালো হতো যদি ওই জুতো ওনার টাকে গিয়ে লাগতো। আমি খালি পায়ে বাড়ি যাবো, জুতো হারিয়ে আমার কোনও দুঃখ নেই!”

জোকার ইএসআই হাসপাতালে ইডি হেফাজতে থাকা পার্থ-অর্পিতার রুটিন স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ছিল আঁটোসাঁটো। আগের দিনগুলির থেকেও বেশিই ছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ৪৮ ঘণ্টা পর, আজ মঙ্গলবার ফের জোকা ESI হাসপাতালে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের মেডিক্যাল টেস্ট করা হয়। পার্থ-অর্পিতার নিরাপত্তায় বাড়তি নজর ছিল ইডির। কনভয়ে ৬টি গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়। পার্থ-অর্পিতার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ৮৬ জন জওয়ান। তারই মধ্যে জুতো উড়ে এল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর দিকে। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

জানা গিয়েছে, ইএসআই হাসপাতালে এক আত্মীয়ের চিকিৎসার জন্যই এসেছিলেন ওই মহিলা। নাম শুভ্রা ঘোড়ুই। আমতার বাসিন্দা শুভ্রা। সংবাদমাধ্যমের সামনে শুভ্রা বলেন, ”ওর উপর আমার রাগ ছিল, জুতো মেরে শান্তি পেয়েছি। আরও ভাল লাগত জুতোটা যদি ওর টাকে লাগত। মালা দিয়ে বরণ করলে কি ভাল লাগত আপনাদের?” এরপরই তাঁর সংযোজন, “এত মানুষের টাকা মেরে, চাকরি মেরে ফ্ল্যাট-বাড়ি কিনেছেন। আবার তাকে এসি গাড়ি করে এত খাতির করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে! আমি ওকে জুতো মারতে এসেছি। জুতো মারা হয়ে গেছে। এবার খালি পায়ে ঘরে যাচ্ছি। এসি গাড়ি নয়, ওকে গলায় দড়ি দিয়ে টানতে টানতে নিয়ে আসা উচিত।”

উল্লেখ্য, এদিন ইএসআই হাসপাতালে ঢোকার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বিস্ফোরক দাবি করেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এই টাকা আমার নয়। আমার অনুপস্থিতিতে এবং অজান্তে এই টাকা আমার ঘরে ঢোকানো হয়েছে।” হাসপাতাল থেকে ফের সিজিও কমপ্লেক্সে যাওয়ার সময় অবশ্য পার্থ-অর্পিতা কেউ কোনও কথা বলেননি। তারই মাঝে উড়ে আসে পার্থর উদ্দেশ্যে জুতো।

যদিও সেই জুতো পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গা পর্যন্ত পৌঁছয়নি। উল্লেখ্য, এদিন ইএসআই হাসপাতালে ঢোকার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বিস্ফোরক দাবি করেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এই টাকা আমার নয়। আমার অনুপস্থিতিতে এবং অজান্তে এই টাকা আমার ঘরে ঢোকানো হয়েছে।” হাসপাতাল থেকে ফের সিজিও কমপ্লেক্সে যাওয়ার সময় অবশ্য পার্থ-অর্পিতা কেউ কোনও কথা বলেননি। তারই মাঝে উড়ে আসে পার্থর উদ্দেশ্যে জুতো।

 

 

 

 

Previous articleমন্ত্রিসভার রদবদলের আগের দিন জরুরি বৈঠক ডাকলেন মুখ্যসচিব