প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন রাহুল ! লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসীর বক্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে

এদিন তাল কাটে লিঙ্গায়ত সন্ন্যাসীদের মঠ প্রধান তথা প্রেসিডেন্ট শিবমূর্তি মুরুঘা শরণরুর বক্তব্যে। তিনি সহ সন্ন্যাসীর বক্তব্য থামিয়ে সাফ জানিয়ে দেন, এই মঠে যারাই আসেন, তাঁরাই আশীর্বাদ পান।

দেশের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হতে পারেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। সোনিয়া পুত্রকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পেতে পারেন দেশবাসী। সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করেছেন কর্ণাটকের লিঙ্গায়ত সন্ন্যাসীরা (Karnataka Lingayat)। বুধবার  মুরুগরাজেন্দ্র মঠে গিয়ে সন্ন্যাসীদের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল। সেই সময় মঠের এক সন্ন্যাসী হাভেরি হোসামুত্ত স্বামী বলেন, রাহুল  প্রধানমন্ত্রী হবেন। তবে এদিন তাল কাটে লিঙ্গায়ত সন্ন্যাসীদের মঠ প্রধান তথা প্রেসিডেন্ট শিবমূর্তি মুরুঘা শরণরুর বক্তব্যে। তিনি সহ সন্ন্যাসীর বক্তব্য থামিয়ে সাফ জানিয়ে দেন, এই মঠে যারাই আসেন, তাঁরাই আশীর্বাদ পান।

কর্ণাটকের জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়ের মানুষ। আর সেই কারণেই লিঙ্গায়ত ভোট নিজেদের হাতে আনতে রাহুলের এই বুধবারের সফর বলে মনে করা হচ্ছে। কর্ণাটকে লিঙ্গায়তরা অবশ্যই বড় ফ্যাক্টর, সেকথা বারবার স্বীকার করেছে রাজনৈতিক মহল। যেকোনও দলকে ক্ষমতায় আসতে গেলে এই সম্প্রদায়ের আশীর্বাদ পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। তবে লিঙ্গায়তরা বিগত এক বছরে বিজেপির উপরই আস্থা দেখিয়েছেন। সন্ন্যাসীদের পুরনো রেকর্ডও যে বিজেপির পক্ষে তাও স্পষ্ট। তবে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, কর্ণাটকে রাহুল গান্ধীকে পেয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত কংগ্রেস নেতারা (Congress Leaders)। দলের শীর্ষ নেতার এই সফর রাজ্যের সংগঠন ও কর্মীদের মনোবলকে চাঙ্গা করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আগামী বছরের মে মাসেই কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচন (Asembly Election)। আর সেই জমি শক্তপোক্ত করতেই ইতিমধ্যে রাজনীতির ময়দানে নেমে পড়েছে কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল পর্যন্ত কর্ণাটকে ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। তবে ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর জনতা দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয় কংগ্রেস। তবে তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। এখন দেখার, বুধবারের এই মঠ পরিদর্শন কংগ্রেসের ভোট বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে তা বলবে সময়ই।

 

 

Previous articleরাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, ৫ পূর্ণমন্ত্রী-সহ ৮ নতুন মুখ