কোজাগরীর আরাধনায় ব্যস্ত ‘লক্ষ্মী কাকিমা’

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর (Lakshmi Puja) সকাল থেকেই ভয়ানক ব্যস্ততা বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে। পাশাপাশি যেসব মণ্ডপে দুর্গাপুজো হয় সেখানেই মা লক্ষ্মীর আরাধনা হয়। তবে প্রতিবছরই এই বিশেষ দিনে রাজ্যবাসীর নজর থাকে হেভিওয়েটদের দিকে। সে রাজ্যের কোনও নেতা-মন্ত্রীই (Minister) হোন বা টলিপাড়ার সেলেব (Tollywood Celebrity), সবাই এই দিনে ধন সম্পত্তির দেবীর আরাধনায় ব্রতী হন। তবে লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি বলুন বা আরাধনা যাঁকে ছাড়া অসম্পূর্ণ তিনি অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য (Actress Aparajita Adhya)। তবে এবারে অপরাজিতার পুজো অন্যান্য বছরের তুলনায় হাবেভাবে অনেকটাই আলাদা। তিনি রূপে লক্ষ্মী ও গুণে সরস্বতী এবিষয়ে কারও দ্বিমত নেই। কিন্তু এবছর তিনি ছোট পর্দার লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টারও বটে। নিজের হাতে লক্ষ্মী ঠাকুরকে সাজিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) পোস্টও করেছেন অপরাজিতা।

টলিপাড়ার তারকাদের মধ্যে অনেকের বাড়িতেই ঘটা করে লক্ষ্মীপুজো হয়। তবে তাঁদের মধ্যে অপরাজিতা আঢ্য একটু হলেও আলাদা। রবিবার সকাল থেকেই ধনদেবীর আরাধনার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে অপরাজিতা অর্থাৎ লক্ষ্মী কাকিমার বাড়িতে। বাড়ির মা, কাকিমা, জেঠিমাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সমস্ত কাজ তিনি সামলাচ্ছেন। বিগত দুবছর করোনা অতিমারির (Corona Pandemic) কারণে বাধ্য হয়েই পুজোর প্রস্তুতিতে কিছুটা হলেও টান পড়েছিল কিন্তু দেবীর পুজোর সঙ্গে কোনওরকম আপস করেননি ছোট পর্দার লক্ষ্মী। কিন্তু চলতি বছর করোনার প্রকোপ কমতেই ফের স্বমহিমায় অপা।

এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে লক্ষ্মী কাকিমা জানান, এবছর মায়ের বাঙালি থিম। ৩২ বছর ধরে শ্বশুরবাড়িতে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা চলছে। লক্ষ্মীর বিসর্জন হয় না আর সেকারণেই দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে মাটির লক্ষ্মীকেই রং করে পুজো করা হয়। পাশাপাশি এদিন ‘এলোঝেলো’ প্রসাদ নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেত্রী। তিনি জানান, এটা জিভে গজার মতো একটা জিনিস। লুচি মাঝ বরাবর কেটে টুইস্ট করে সেটাকে চিনির রসে দেওয়া হয়। এটা আমদের বাড়ির বিশেষ প্রসাদ। তবে ‘এলোঝেলো’-র পাশাপাশি থাকছে নাড়ু, মোয়া, বিভিন্ন ফল প্রসাদ, চিঁড়ের প্রসাদ। থাকছে খিচুড়ি, লাবড়া, আলুরদম, পাঁচ রকম ভাজা, ভেজ পকোড়া সহ একাধিক মেনু।

আরও পড়ুন:যোগীরাজ্যে অতিবৃষ্টির জেরে আত্মঘাতী কৃষক

Previous articleযোগীরাজ্যে অতিবৃষ্টির জেরে আত্মঘাতী কৃষক