বিশ্বকাপে নামার আগে চর্চায় আর্জেন্তিনা দল, মেসিদের জন্য কাতারে ন’শো কেজি মাংস

৯০০ কেজি গোমাংস নিয়ে গিয়েছে আর্জেন্তিনা। শুধু তাই নয়, কাতারে কোন বিলাসবহুল হোটেলে নয়, বরং কাতার বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছেন মেসিরা

বেজে গিয়েছে কাতার ফুটবল বিশ্বকাপের দামামা। হাতে আর মাত্র একটা দিন, তারপরই শুরু ফুটবলের বিশ্ব যুদ্ধ। ২২ নভেম্বর সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের অভিযান শুরু করতে চলছে আর্জেন্তিনা। তারই প্রস্তুতিতে ব‍্যস্ত লিওনেল মেসির দল। এরই মধ‍্যে চর্চায় নীল-সাদার দেশ। বিশ্বকাপ খেলতে কাতার যাওয়ার সময় নিজেদের সঙ্গে ৯০০ কেজি গোমাংস নিয়ে গিয়েছে আর্জেন্তিনা। শুধু তাই নয়, কাতারে কোন বিলাসবহুল হোটেলে নয়, বরং কাতার বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছেন মেসিরা।আসলে বিলাসবহুল হোটেলে পছন্দের বিফ বার্বিকিউ খেতে পারবেন না। তাই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে আর্জেন্তিনা শিবির।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ছাত্রাবাসে মেসিরা রয়েছেন, সেখানে বিফ বার্বিকিউ বানানোর জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিজস্ব রাঁধুনি সঙ্গে এনেছেন মেসিরা, যাতে পছন্দের সুস্বাদু খাবার উপভোগ করতে পারেন। আর্জেন্তিনার নিজস্ব রন্ধনশৈলীতেই বানানো হবে বিফ বার্বিকিউ এবং অন্যান্য খাবার। তার জন্য মেসির দল দেশ থেকে ৯০০ কেজি গোমাংস নিয়ে এসেছে কাতারে। একই পরিমাণ মাংস নাকি নিয়ে এসেছে উরুগুয়েও। অনেক দেখেশুনে, খোঁজখবর নিয়েই দোহায় ওই ছাত্রাবাস বেছে নিয়েছেন মেসিরা। সেখানে অনুশীলনের জায়গাও রয়েছে। পাশাপাশি আছে খোলা আকাশের নিচে রান্নার ব্যবস্থাও।

আর্জেন্তিনায় মাংসের বার্বিকিউ এবং বিশেষভাবে তৈরি ‘আসাদো’ নামের একটি পদ দারুণ জনপ্রিয়। আর্জেন্তিনার ফুটবল কর্তারা চাইছেন, মেসি-দিবালাদের বাড়ির পরিবেশ দিতে এবং একই সঙ্গে খাবারের দিক থেকে কোনও ত্রুটিবিচ্যুতি না রাখতে। কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেছেন, “আসাদো আমাদের সংস্কৃতির অংশ। আমরা যখন কথা বলি, হাসি, গুরুগম্ভীর থাকি, অন্যদের সঙ্গে মিশি, তখনও ‘আসাদো’র অস্তিত্ব থাকে। এটি আমার প্রিয় খাবার। তবে এখানে ব্যাপারটা আরও বড়। এর মাধ্যমে দলের মধ্যে সম্পর্কের রসায়ন অনেক মজবুত হবে। সকলের মধ্যে ঐক্য অটুট থাকবে।” প্রসঙ্গত, খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং বিভিন্ন কাজে নিযুক্ত কর্মী মিলিয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সদস্য সংখ্যা ৭২ জন।

আরও পড়ুন:রাজ পরিবারের ফতোয়া, বিশ্বকাপে বারণ বিয়ার, মাথায় হাত ফিফার

 

Previous articleAmazon: গণ-ছাঁটাই অব্যাহত, চাকরি হারানোর আশঙ্কায় কয়েক হাজার কর্মী !