জার্মানির সঙ্গে টক্কর দিতে প্রস্তুত সাহসী জাপান

গত বিশ্বকাপে এশিয়ার আরেক দল দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল জার্মানি।

তারা চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। রানার্স আপও চারবার। তবে জার্মানি কখনো বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়নি জাপানের। আর জাপানও বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড পার হতে পারেনি এখনো। গত বিশ্বকাপে এশিয়ার আরেক দল দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল জার্মানি। আজ তাই জাপানের বিপক্ষে অভিযান শুরুর আগে সতর্ক অধিনায়ক ম্যানুয়েল নয়ার, ‘ইউরোপিয়ান দলগুলোর সবাই পরিচিত। কিন্তু জাপান একেবারে অন্য রকম ফুটবল খেলে। সুশৃঙ্খল ফুটবল খেলা জাপান কঠিন প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছে প্রথম ম্যাচে। ’

বিশ্বকাপে কখনো দেখা না হলেও দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে জার্মানি ও জাপান। ২০০৪ সালে জাপানকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল জার্মানি। ২০০৬ সালে অপর ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করে দুই দল। জার্মান অধিনায়ক নয়ার তাই শ্রদ্ধা করছেন জাপানকে। তারপর আবার ম্যাচের ঠিক আগে বড় ধাক্কা খেয়েছে বায়ার্ন তারকা লিরয় সানেকে হারিয়ে। হাঁটুর ইনজুরিতে পড়ে এই উইঙ্গার খেলতে পারছেন না আজকের ম্যাচ। তাঁর না থাকাটা নিশ্চিত করে জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের টুইট, ‘আমাদের শেষ অনুশীলনে থাকতে পারেনি সানে। প্রথম ম্যাচ পাওয়া যাচ্ছে না ওকে। ’

জাপানের আট ফুটবলার খেলেন জার্মানির বুন্দেশলিগায়। বিপক্ষের সবাইকে ভালোই চেনা তাঁদের। এ জন্য জাপানও ভয় পাচ্ছে না জার্মানিকে। সাংবাদিক সম্মেলনে জাপানি ফরোয়ার্ড তাকুমা আসানো ছিলেন আত্মবিশ্বাসী, ‘ইউরোপিয়ান আর লাতিনদের তুলনায় এশিয়ার দলগুলো পিছিয়ে অনেকটা। তবে ভয়ের কিছু নেই। আপনি জানেন না, কখন কী ঘটবে। এটা বিশ্বকাপ।
জাপানের ২৬ ফুটবলারের শুধুমাত্র ছয়জন খেলেন স্থানীয় লিগে। বাকিরা সবাই ইউরোপে। আগের তুলনায় জাপান তাই বেশি আত্মবিশ্বাসী। আর্সেনালের জাপানি ডিফেন্ডার তাকেহিরো তোমিয়াসু জানালেন, ‘আমরা বাস্তববাদী তবে জার্মানিকে খুব বেশি শ্রদ্ধা দেখানোর কিছু নেই। আমাদের দলটা বদলে গেছে। দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলে। সেই অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগবে আমাদের।

 

Previous articleডিসেম্বরেই জোকা-তারাতলায় ছুটবে মেট্রো, রেডি এসি রেড