রাজ্য জুড়ে দুধের বিকল্প বেবি ফুডের ঘোর ‘সঙ্কট’

আমদানির জন্য লাগে কেন্দ্রীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিশেষ অনুমোদন। আমদানি সংক্রান্ত জটিলতা, ইংল্যান্ড-সুইৎজারল্যান্ডে আটকে কনসাইনমেন্ট। রাজ্য জুড়ে অ্যামাইনো অ্যাসিডযুক্ত মিল্ক পাউডারের আকাল।

রাজ্য জুড়ে দুধের বিকল্প বেবি ফুডের ঘোর ‘সঙ্কট’। পাইকারি থেকে খুচরো দোকানে হঠাৎ ‘উধাও’ বিকল্প বেবি ফুড। বিকল্প বেবি ফুডের আকালের জন্য হাসপাতালে স্যালাইনের ভরসায় বহু সদ্যোজাত। হাসপাতালে সদ্যোজাতদের নিয়ে বাবা-মায়েরা ভিড় করছেন। ৪-৫টি সংস্থার মাধ্যমে বিদেশ থেকে আসে এই বিশেষ বেবি ফুড। আমদানির জন্য লাগে কেন্দ্রীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিশেষ অনুমোদন। আমদানি সংক্রান্ত জটিলতা, ইংল্যান্ড-সুইৎজারল্যান্ডে আটকে কনসাইনমেন্ট। রাজ্য জুড়ে অ্যামাইনো অ্যাসিডযুক্ত মিল্ক পাউডারের আকাল।
ইতিমধ্যেই বেবি ফুডের অভাবে ধুঁকছে শিল্পশহর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা। ফলে প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে চিরাচরিত ভাত-মুড়িতেই খিদে মিটছে শিশুদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ মানুষের শরীর প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত নয়। তাই বাজারজাত রেডিমেড খাবারও যতটা এড়ানো যায়, শরীরের পক্ষে ততই মঙ্গল। কিন্তু সাধারণ মানুষের খাদ্যাভ্যাস দিন দিন যে ভাবে এই ধরনের খাবারের উপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছিল, তাতে ছাড় পাচ্ছিল না শিশুরাও।
শিশু বিশেষজ্ঞ জয়ন্ত ঘোষালের কথায়, বাজার চলতি বেবি ফুড শিশুদের ক্ষেত্রে সবসময় যে কার্যকর, তা ঠিক নয়। কিন্তু বর্তমান খাদ্যাভ্যাসের কারণে বাবা-মা জন্ম থেকেই শিশুদের এই বেবি ফুডে অভ্যস্ত করে তোলেন। প্রকৃতি থেকে সরাসরি আমরা যে জিনিসগুলি পাই, সেগুলিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলে আমাদের শরীর সুস্থ থাকবে। বাড়ির খাবার শিশুদের জন্য খুবই স্বাস্থ্যকর।

Previous articleথিম ‘দুর্গা ও নারী ক্ষমতায়ন’, সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বাংলার ট্যাবলোকে ছাড়পত্র কেন্দ্রের