মোদির তথ্যচিত্র নিয়ে বিজেপিকে সমর্থনের জের, দলত্যাগ অনিল অ্যান্টনির

প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী একে অ্যান্টনির  পুত্র জানিয়েছেন, বাক স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা দল একটি টুইট মুছে দেওয়ার জন্য জোর করছে। সেটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয় বলেই দল থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।

গুজরাট দাঙ্গায় নরেন্দ্র মোদির ভূমিকা নিয়ে বিবিসির তৈরি তথ্যচিত্র নিয়ে দেশে, বিদেশে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাহুল গান্ধী।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘সত্যের অভ্যাস, যে সে বেরিয়ে আসবেই।’

এই মন্তব্যের ২৪ ঘণ্টাও পেরোয়নি,বিবিসির তথ্যচিত্র প্রসঙ্গে নিজের মন্তব্যের ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে কংগ্রেস  ছাড়ার ঘোষণা করে দিলেন অনিল অ্যান্টনি। প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী একে অ্যান্টনির  পুত্র জানিয়েছেন, বাক স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা দল একটি টুইট মুছে দেওয়ার জন্য জোর করছে। সেটা মেনে নেওয়া সম্ভব নয় বলেই দল থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।

প্রসঙ্গত, বিজেপিকে সমর্থন করে মঙ্গলবার টুইট করেছিলেন অনিল। তাঁর কথা থেকেই পরিষ্কার, দলবিরোধী মন্তব্য করা টুইটটি মুছে ফেলতে বলা হয়েছিল কংগ্রেসের তরফে। তার জেরেই দলত্যাগ।রাহুল গান্ধী এই নিয়ে বলেন, ‘আপনি যদি আমাদের ধর্মগ্রন্থ পড়ে থাকেন, যদি আপনি ভগবত গীতা বা উপনিষদ পড়েন… আপনি লক্ষ্য করতে পারেন যে সত্য সর্বদা বেরিয়ে আসে।

মঙ্গলবার একটি টুইট করেছিলেন অনিল। তিনি লেখেন, “বিজেপির সঙ্গে মতো বিরোধ রয়েছেই। কিন্তু বিবিসির মতো ব্রিটিশ সংস্থা, যারা দীর্ঘদিন ধরে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ করেছে, তাদের সমর্থন করা উচিত না। বিবিসির এই তথ্যচিত্রকে যারা সঠিক বলে মনে করছেন, তাঁদের এই পদক্ষেপের জেরে ভারতের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হবে।” প্রসঙ্গত, বিদেশমন্ত্রকের তরফে আগেও বলা হয়েছিল এই তথ্যচিত্রের ফলে ঔপনিবেশিকতার প্রসার ঘটবে।

এই টুইটের পরেই কংগ্রেস নেতাকে আক্রমণ করেন নেটিজেনরা। অনিলের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, বিবিসির তথ্যচিত্র নিয়ে টুইট মুছে ফেলতে নির্দেশ দেয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। দলীয় নেতৃত্বের এহেন আচরণে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হন অনিল। তাঁর মতে, বাকস্বাধীনতার দাবিতে লড়াই করে যে দল, তারা টুইট মোছার জন্য জোর করতে পারে না। দলের এই নির্দেশ মানতে পারেননি অ্যান্টনি।

 

Previous articleWeather Update : রাজ্যে উধাও শীত ! পশ্চিমী ঝঞ্ঝাতেই বিপত্তি জানাল হাওয়া অফিস