Tuesday, May 19, 2026

বয়স ৯০ পেরিয়েছে, বীরভূমের দিদির দূতের কাছে বৃদ্ধ নিজের পরিচয় দিতেই অবাক সকলে

Date:

Share post:

দিদির সুরক্ষা কবচ (Didir Suraksha Kawach) কর্মসূচিতে আচমকা মুখোমুখি দুই বিধায়ক। তবে একজন বর্তমান, অন্যজন প্রাক্তন। একজন ”দিদির দূত” বীরভূমের সিউড়ির তৃণমুল বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী (Bikash Roy Chowdhury), অন্যদিকে ১৯৭২ সালের বীরভূমের রাজনগরের কংগ্রেসের বিধায়ক দ্বিজপদ সাহা(Dwijpada Saha)। বীরভূমের রাজনগরের বেলেরা গ্রামে মুখোমুখি দুই বিধায়ক।

বীরভূমে “অঞ্চলে একদিন” কর্মসূচিতে সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার এবং রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় যথাক্রমে ভবানীপুর এবং ভারকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতে তাঁদের সারাদিনের কর্মসূচি সারেন। ঠিক তখনই ভবানীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে মানুষের সঙ্গে দেখা করার সময় সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় দ্বিজপদ সাহা নামে এক বৃদ্ধের। দিদির দূত বিকাশবাবুকে দ্বিজপদ সাহা জানান, তিনি প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক। বয়স ৯০ ছাড়িয়েছে। কানে ভালো করে শুনতেও পারেন না। তবে প্রাক্তন বিধায়কের সমস্যার কথা মন দিয়ে শুনলেন বর্তমান বিধায়ক।

দ্বিজপদ সাহা পেশায় ছিলেন শিক্ষক। এছাড়াও ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে রাজনগরের কংগ্রেস বিধায়ক ছিলেন। তাঁর সমস্ত সমস্যা শোনার পর, বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী ব্লক-স্তরের নেতাদের একজনকে অবিলম্বে একটি চিঠি লিখে তাতে দ্বিজপদ্ম সাহার স্বাক্ষর নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রাক্তন বিধায়ককে আশ্বস্ত করার সময় , বিধায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী তাঁর কানের কাছে গিয়ে বলেন , “স্যার , আমি ওদের চিঠিটি প্রস্তুত করতে বলেছি। আপনাকে শুধু একটি স্বাক্ষর করতে হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তা স্পিকারের কাছে পৌঁছে দেবো। এখন থেকে, যেখানে যা দরকার হবে সবাই ব্যক্তিগতভাবে আপনার বাড়িতে যাবে এবং সমস্ত নিয়ম সম্পন্ন করবে । আপনাকে কোথাও যেতে হবে না।”

দ্বিজপদ সাহা পরে সিউড়ি বিধায়ক বিকাশ রায় চৌধুরীকে তাঁর ব্যস্ত সময়সূচি থেকে সময় বের করে , সমস্যাগুলির সমাধান করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান । সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী বলেন , “এক সময় আমরাও কংগ্রেস করেছি । তখন আমরা ছাত্র যুবতে ছিলাম,এনাদের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তবে ৯৩ বছর বয়সে যে আমি ওনার দেখা পেয়েছি এটাই আমার খুব ভালো লাগছে । তবে ওনার একটা সমস্যা ছিলো সে কথা তিনি আমায় জানান। আমি চেষ্টা করছি যাতে সেই সমস্যার সমাধান করা যায় । উনি আমাদের অনেক আশীর্বাদ করলেন।”

প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক দ্বিজপদ সাহা বলেন , ” উনি আমার সমস্ত সমস্যা শোনেন এবং আমায় বলেন এগুলি লিখে ওনাকে পাঠাতে। তারপর ওনার যা ব্যবস্থা নেওয়ার উনি নেবেন।”

Related articles

মাথা নত করব না: পুরসভার নোটিশ নিয়ে সাফ জানালেন অভিষেক

কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কালীঘাট রোড এবং...

ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘন: নরওয়েতে মোদির পথেই প্রশ্ন এড়ালো বিদেশ মন্ত্রক

সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্ব এক নম্বর দেশ নরওয়ে। তাই সেখানে সাংবাদিকও ভেবেছিলেন যে কোনও প্রশ্ন করলেই উত্তর পাওয়া...

পাহাড়-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ রাজ্যের

পাহাড়-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ করল রাজ্য সরকার (West Bengal Govt.)। পুর আইন অনুযায়ী নতুন বোর্ড গঠন...

ফলতার পুনর্নির্বাচন থেকে জাহাঙ্গীরের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত! বলল তৃণমূল, ছক থাকার আশঙ্কা শুভেন্দুর

ফলতার পুনর্নির্বাচন থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত একেবারে তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত,...