কংগ্রেসের হাত ধরতে আপত্তি, ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে লড়ছেন না মানিক

ত্রিপুরার রাজনীতিতে এই প্রথমবারের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট একসঙ্গে লড়াই করছে। এই জোটে প্রথম থেকেই মুখ জীতেন্দ্র চৌধুরী। অন্যদিকে, প্রথম থেকেই কংগ্রেস সখ্য নিয়ে আপত্তি ছিল মানিকবাবুর। 

রাজ্য রাজনীতিতে স্বচ্ছ ব্যক্তি বলেই পরিচিত। দলের পলিটব্যুরো সদস্য। টানা চারবারের মুখ্যমন্ত্রী (CM) ছিলেন। বর্তমানে বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার (Manik Sarkar) কি রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিতে চলেছেন? আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরার হাইভোল্টেজ বিধানসভা ভোট (Tripura Assembly election)। কিন্তু সেই লড়াইয়ের ময়দানে নেই মানিকবাবু (Manik Sarkar।

কিন্তু কেন? ত্রিপুরার রাজনীতিতে এই প্রথমবারের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট একসঙ্গে লড়াই করছে। এই জোটে প্রথম থেকেই মুখ জীতেন্দ্র চৌধুরী। অন্যদিকে, প্রথম থেকেই কংগ্রেস সখ্য নিয়ে আপত্তি ছিল মানিকবাবুর। তাই কংগ্রেসের হাত ধরে জোটের প্রার্থী হতে নারাজ মানিক সরকার। ঘনিষ্ঠ মহলে এবার ভোটে না দাঁড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তিনি।

বাম জমানায় ধনপুর বিধানসভা থেকে একের পর এক নির্বাচনে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হলেও কার্যত তিনি নিজ কেন্দ্রের কোনও উন্নয়নই করেননি। রাজ্যে একটি প্রত্যন্ত এলাকা হিসেবেই এখনও পরিচিত ধনপুর। দলীয় সূত্রে খবর, এবার ধনপুর থেকে তাই স্থানীয় নেতৃত্বকেই টিকিট দেবে বামফ্রন্ট। মানিক সরকারের ইচ্ছাকে মেনে নিয়ে তাঁকে আর টিকিট দেওয়া হবে না।

এদিকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয় বামফ্রন্ট-কংগ্রেস জোটের। রাজ্যের ৬০ আসনের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের জন্য বরাদ্দ থাকছে ১০টি আসন। বামেদের জন্য ৪০টি এবং তিপ্রামোথা যদি এই জোটে হাত মেলায়, তবে তাদের জন্য উপজাতি সংরক্ষিত ১০টি আসন ছাড়তে রাজি বামেরা। তিপ্রামোথার সঙ্গে বামেদের বৈঠক হয় ফলপ্রসূ বলে খবর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ, বুধবার ত্রিপুরায় জোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।

Previous articleKalikapur : মধ্যরাতে মহানগরীতে ভ*য়াবহ অ*গ্নিকাণ্ড !