Tuesday, May 12, 2026

ফের বড়সড় বিতর্কের মুখে কংগ্রেস! দলের যুবনেত্রীকেই ‘কু.কথা’ যুব সভাপতির  

Date:

Share post:

দলের যুব সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনলেন যুব নেত্রী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড়সড় বিতর্কের মুখে পড়ল কংগ্রেস (Congress)। একেই দলের নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিয়ে সমস্যার শেষ নেই। আর তারমধ্যেই ফের মুখ পুড়ল হাত শিবিরের। আর ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দলের অন্দরে শুরু হয়েছে চরম বিতর্ক। তবে বিরোধীদের মতে, দলের মহিলা কর্মী সমর্থকদের সম্মান দিতে জানেন না কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। আর তারই আসল স্বরূপ এবার প্রকাশ্যে এল। তবে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ইতিমধ্যে ময়দানে নেমেছে কংগ্রেস।

তবে ঘটনাটি কী?

জানা গিয়েছে, যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি শ্রীনিবাস বিভি (Srinivas BV) ও সম্পাদক বর্ধন যাদবের (Bardhan Yadav) বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন অসমের যুব কংগ্রেস সভাপতি অঙ্কিতা দত্ত (Ankita Dutta)। আর দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এমন হেনস্থার অভিযোগ এনে কার্যত জনসমক্ষে হাঁটে হাঁড়ি ভেগে দিয়েছেন অঙ্কিতা। তাঁর অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার দলের হাইকম্যান্ড এমনকি রাহুল গান্ধীকে ভারত জোড়ো যাত্রা (Bharat Jodo Yatra) চলাকালীন অভিযোগ জানিয়েও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। সবকিছু শুনলেও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ জানিয়েছেন অঙ্কিতা। আর গোটা বিষয়টিতে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন অসমের যুব কংগ্রেস সভাপতি।

অঙ্কিতা সংবাদমাধ্যমকে জানান, রায়পুরের প্লেনারি অধিবেশন (Plenary Session) চলাকালীন তাঁকে যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি শ্রীনিবাস বিভি ‘মেয়েটা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তবে এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও অভিযোগ করেন, এরপরই তাঁকে শ্রীনিবাস প্রশ্ন করেন, “তুমি কী খাও? ভদকা (Vodka) খাও”? আর এমন প্রশ্ন শুনেই কার্যত মাথা নিচু হয়ে যায় অঙ্কিতার। পাশাপাশি এমন প্রশ্নে রীতিমতো হতভম্ব হয়ে পড়েন তিনি। এরপরই দলের সঙ্গে তাঁর পরিবারের সম্পর্ক ও আদি ইতিহাসের কথা তুলে ধরে অঙ্কিতা জানান, তাঁর পরিবারের সঙ্গে দলের যোগাযোগ বহুদিনের। আমি, আমার বাবা ও আমার ঠাকুরদা অসমে কংগ্রেস সভাপতি থেকেছি। তবে দল আমাকে ছুঁড়ে ফেললেও আমি কোনোদিনও দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারব না। যদি দল আমাকে বাইরে ছুঁড়েও ফেলে দেয় তাহলেও আমার সিদ্ধান্ত একই থাকবে।

এছাড়াও এদিন বিজেপিতে (BJP) যোগদান প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা অঙ্কিতাকে প্রশ্ন করলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, আমার বিজেপিতে যোগদানের কোনও প্রশ্নই আসছে না। আর যদি সেই পরিকল্পনা থাকত তাহলে তা আগেই করতে পারতেন। তবে এরপরই অঙ্কিতার তোপ, শ্রীনিবাস ও বর্ধন যাদবের মতো লোকরাই দলকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে দিচ্ছে।

 

 

Related articles

চলতি সপ্তাহেই বিধায়ক হিসেবে শপথ শুভেন্দুর, বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন নিয়ে জারি বিজ্ঞপ্তি

বাংলায় বিজেপি সরকারের (BJP Government) প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এবার জয়ী বিধায়ক হিসেবেও শপথ নিতে চলেছেন...

আজ অসমের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন হিমন্ত, আমন্ত্রিত বাংলার মুখ্যমন্ত্রীও

বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর এবার অসমে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Himant Biswasharma) শপথ বাক্য...

রুটিন চেকআপে হাসপাতালে সুব্রত বক্সী

শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। সোমবার কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে...

ক্ষমতায় এসেই বিজেপির জুমলা! ঘোষণার আগেই শুরু সরকারি প্রকল্পের প্রচার 

সরকারে এসেই বিজেপির জুমলা রাজনীতি শুরু বাংলায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, শুধু মুখে ঘোষণা করেই কোনও...