Monday, May 11, 2026

আইএমএফ ঋণ পেতে আমেরিকার চাপে ইউক্রেনকে অ.স্ত্র বিক্রি করেছে পাকিস্তান!

Date:

Share post:

আর্থিক সংকটের চরমে পৌঁছেছে পাকিস্তান।আর এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে শেষ পর্যন্ত মার্কিন শর্ত মানতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান! সহজ শর্তে আইএমএফের ঋণ পাওয়ার জন্য আমেরিকার নির্দেশ মেনে নিয়েছে শাহবাজ শরিফের প্রশাসন।অভিযোগ, মার্কিন চাপেই গোপনে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে পাকিস্তান। তারপরেই পুরস্কার হিসাবে মিলেছে আইএমএফ ঋণ। এমনই বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে পাক সরকারের গোপন নথিপত্রে।

দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে ভুগে কার্যত ভেঙে পড়েছে পাকিস্তানের অর্থনীতি।সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে পাকিস্তান সরকারের গোপন কয়েকটি নথি। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, মার্কিন হস্তক্ষেপেই পাকিস্তানকে ঋণ দিতে রাজি হয়েছে আইএমএফ। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই ঋণ দেওয়া নিয়ে পাকিস্তানের আধিকারিকদের সঙ্গে লাগাতার আলোচনায় বসেছে ইন্টারন্যাশনাল মানিটরি ফান্ড। শর্ত নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বহু মতানৈক্যের পর শেষ পর্যন্ত ঋণ পায় পাকিস্তান।

জানা গিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে চেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু আমেরিকার চাপে পড়েই রুশ বিরোধিতার পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছে তারা। এমনকী গোপনে ইউক্রেনকে যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহও করেছে পাকিস্তান। এখানেই শেষ নয়। গ্লোবাল মিলিটারি প্রোডাক্টস নামে একটি সংস্থার মাধ্যমেই এই অস্ত্র কেনাবেচার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু ইউক্রেনের নানা বিতর্কিত ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে এই সংস্থার। মার্কিন মধ্যস্থতার ফলেই ইউক্রেনকে অস্ত্র বিক্রি করেছে পাকিস্তান। তারপরেই সমস্ত মতানৈক্য দূর করে পাকিস্তানকে ঋণ দিতে রাজি হয় আইএমএফ।

 

 

 

 

Related articles

মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন: একনজরে কাকে কোন দায়িত্ব

নতুন সরকারের (New State Govt.) প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক শেষ হতেই মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ সদস্যের মধ্যে দফতর বণ্টন করে...

অনিয়মের ‘চুলচেরা’ বিচার হবে: নবান্নে প্রথম দিনেই অবস্থান স্পষ্ট করলেন শুভেন্দু 

নবান্নে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই মেজাজ স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে...

নাগরিকের নিরাপত্তায় জোর, প্রশাসনিক বৈঠকে আধিকারিকদের নির্ভয়ে কাজ করার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আর সেখানেই নাগরিক সুরক্ষায় জোর দিয়েছেন...

হারের ব্যবধান ৩২ লক্ষ, নাম বিবেচনাধীন ৩৫ লক্ষ! কল্যাণকে ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

বাংলায় এসআইআরে (SIR) প্রায় ৩৫ লক্ষ ভোটারের আবেদন ট্রাইব্যুনালে ঝুলে থাকায় বাংলা জুড়ে ভোটের ফলে এর প্রভাব যে...