Sunday, June 21, 2026

বাংলায় বন্দর তৈরিতে পাশে দুবাই, বিজিবিএস-এর লক্ষ্য দুয়ারে শিল্প

Date:

Share post:

 

কুণাল ঘোষ
মুখ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী

দুবাই: দুবাই সফরের প্রথম দিনেই বড় সাফল্য। বাংলায় বন্দর তৈরিতে প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোগত সাহায্য সাহায্য করবে দুবাই। একই সঙ্গে রাজ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরিতে সাহায্য করবে তারা। এর পাশাপাশি শুক্রবার শিল্প বৈঠকের আগে বাংলার ঘরে ঘরে শিল্পের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে দুয়ারে শিল্পের লক্ষ্য নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বড় শিল্প আসবে, কিন্তু তার সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হবে ‘দুয়ারে শিল্প’। বৃহস্পতিবার দুবাই থেকে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বঙ্গে বিনিয়োগ টানতে স্পেনের পর বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে পা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কাল শুক্রবার দুবাইতে শুরু হচ্ছে শিল্প সম্মেলন। তার আগে এদিন প্রতিনিধিদলে থাকা আমলা ও রাজ্য থেকে যাওয়া শিল্পপতিদের সঙ্গে হোমওয়ার্ক সেরে নেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামীকালের শিল্প সম্মেলনকে মাথায় রেখে এই বৈঠকে সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে গ্রামীণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হয়েছে। গ্রামের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে গিয়েছে পাকা রাস্তা। আমাদের বড় শিল্প আসছে এবং আসবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বড় শিল্পের ক্ষেত্রে আমরা উৎসাহিত। কিন্তু তার সঙ্গে এমএসএমই অর্থাৎ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে আমরা বেশি জোর দিচ্ছি। চলতি বছরের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে এমএসএমই-তে আমাদের সবচেয়ে বেশি ফোকাস রয়েছে। যাতে বাংলার বাড়িতে বাড়িতে শিল্পের ছোঁয়া পৌঁছে যায়। মুখ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগের নাম দিয়েছেন ‘দুয়ারে শিল্প’।

অন্যদিকে, দু’দিনের দুবাই সফরে বৃহস্পতিবার ‘জাফজা ডিপি ওয়ার্ল্ড’ এবং ‘জেবেল আলি বন্দর’ পরিদর্শনে যায় বাংলার প্রতিনিধিদল। নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। ‘জাফজা ডিপি ওয়ার্ল্ড’ দুবাইয়ের শিল্পক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চল থেকে সরাসরি গোটা শিল্পমন্ত্রী এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার সঙ্গে বাণিজ্য চলে। আবার ‘জেবেল আলি বন্দর’ দুবাইয়ের গভীর সমুদ্র বন্দর। দুবাইয়ের এই বন্দরের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন সরকারি আধিকারিকরা। আগামীদিনে রাজ্যে বন্দর তৈরিতে অত্যাধুনিক দুবাইয়ের এই বন্দরের পরিকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সহায়তা কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা খতিয়ে দেখেন মুখ্যসচিব ও অন্যান্য আধিকারিকরা। সেখানেই ঠিক হয় রাজ্যে বন্দর তৈরিতে পরিকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সাহায্য করবে দুবাই। একই সঙ্গে রাজ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরিতে সাহায্য করবে তারা। মরুশহরের বন্দর পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রীকে এই সংক্রান্ত রিপোর্টও পেশ করেছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। দুবাই সফরের প্রথম দিনে বড় সাফল্য এল বাংলার ঝুলিতে।

Related articles

২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য দিবস কেন?

আজকের দিনে, অর্থাৎ 1947 সালের 20 জুন বঙ্গীয় আইনসভার বৈঠকে অখণ্ড বাংলার বিধায়করা বাংলা ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য...

আয়ুর্বেদ নিয়ে ঢাকঢোল কেন্দ্রের, ১২১ কোটিতে বেসরকারি হাতে রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ সংস্থা 

একদিকে যখন দেশজুড়ে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবহার বাড়াতে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার লাগাতার প্রচার চালাচ্ছে, ঠিক তখনই...

যোগের দিবসের আগে অভিনব ড্রোন শো, সাক্ষী মুখ্যমন্ত্রী

রবিবার দেশজুড়ে পালিত হবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে কলকাতা। শুক্রবার সকাল থেকেই যোগ দিবসের কাউন্টডাউন শুরু...

সময়সীমা বাড়াতে নারাজ দিল্লি পুলিশ! শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে যন্তর মন্তরে অনড় দীপকে 

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নিট (NEET) পরীক্ষার অনিয়ম ঘিরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উত্তাপ আরও...