তৃণমূলের ঘোষিত কর্মসূচি কিন্তু সেখানে গিয়ে গোলমাল বাধালেন বিজেপি বিধায়করা। শুধু তাই নয়, কর্মসূচির শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ (Mamata Bandopadhyay) তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা যখন জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন সেই সময়ও বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ‘কুৎসিত’ চিৎকার করে স্লোগান দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা-সহ অন্যান্য বিজেপি (BJP) বিধায়করা। এই ঘটনা জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা। বিধানসভায় স্পিকার বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে বৈঠক করেন পরিশোধীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Shovandev Chatterjee)-সহ মন্ত্রিসভার বর্ষীয়ান সদস্য, ডিসি সেন্ট্রাল-সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এরপরেই জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার অভিযোগ তুলে থানায় অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও তাপস রায়। তাঁদের মতে, এটা শুধু তৃণমূলের ঘোষিত কর্মসূচিতে বাধা দান নয়, এটা জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা বিধানসভা চত্বরে এ ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা নিয়ে স্পিকারকে চিঠিও দিয়েছে তৃণমূলের পরিষদীয় দল। স্পিকার সেটি গ্রহণ করেছেন। স্পিকার জানান, “তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে আমার কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। বিনা অনুমতিতে প্ররোচনা মূলক সভা এবং জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করা হয়েছে। সেই অভিযোগ আমি গ্রহণ করেছি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার অভিযোগ ওঠার পরেই বিধানসভায় আসেন ডিসি সেন্ট্রাল দীনেশ কুমার। তিনি এসে দেখা করেছেন স্পিকারের সঙ্গে। স্পিকার পুলিশকে এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন- ‘দিদি রোজ দুর্গানাম জপছেন’ বলতেই শাহকে ‘দো.কলা বাজ’ ক.টাক্ষ কুণালের









