Sunday, March 1, 2026

কাঁদলে নাকি শরীর ভাল থাকে! আশ্চর্য দাবি চিকিৎসকদের

Date:

Share post:

জীবন সবসময় হাসি আনন্দে ভরে উঠুক এটাই সকলে কামনা করেন। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ সহজ নয়। এগিয়ে চলতে গেলে মাঝেমধ্যেই থমকে যেতে হয়, সাফল্যে পৌঁছানোর রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে হেরে যাওয়ার কষ্ট সহ্য করাটা জাগতিক নিয়মের মধ্যেই পড়ে। তখনই মন ভেঙে যায়, চোখে জল আসে। এই সময় কান্নাকাটি না করে চোখের জল মুছে ঘুরে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন প্রিয়জনেরা। কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা (Health Experts) বলছেন কান্নাকাটি করা নাকি শরীরের জন্য উপকারী!

স্বাস্থ্যই সম্পদ, এ কথা আমরা সকলেই জানি। আর সেই শরীরকে ভাল রাখার জন্য মাঝেমধ্যে একটু আধটু কাঁদতে পারলে, অনেক বেশি করে সুস্থ থাকা যায় বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। জাপানের এক সমীক্ষা থেকে আশ্চর্যজনক এই দাবি উঠে এসেছে। জানা গেছে সে দেশে ‘টিয়ার্স টিচার’ (Tears Teacher) নামে এক শিক্ষিকার পরিচয় তৈরি হয়েছে। গত প্রায় আট বছর ধরে কাঁদার উপকারিতা সংক্রান্ত ওয়ার্কশপ চালান তিনি। বিজ্ঞানীদের মতে, কাঁদলে চোখে জল আসে আর তাতে চোখ শুকিয়ে যাওয়া সম্ভাবনা কমে। এতে জীবাণুর হাত থেকে চোখকে রক্ষা করা সম্ভব হয়। চোখের জলে লিসোজাইম নামে এক উপাদান থাকে যার ক্ষরণে চোখের ভিতরে জমে থাকা ধুলো ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, কাঁদলে মানসিকভাবে মানুষ অনেকটা হালকা বোধ করেন। তাই মনোবিজ্ঞানীদের মতে সুস্থভাবে জীবনে এগিয়ে চলতে গেলে মাঝে মধ্যে কান্না অত্যন্ত প্রয়োজন।

spot_img

Related articles

ভোটার তালিকায় বিভ্রাট: ‘বিচারাধীন’ খোদ বিধায়ক ও বিডিও, নাম কাটা গেল কাউন্সিলরের

রাজ্যে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (এসআইআর) প্রকাশিত হতেই তীব্র চাঞ্চল্য। খোদ জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সরকারি আধিকারিক—...

দোল-হোলির রঙে সম্প্রীতির বার্তা, সোমে নেতাজি ইনডোরে মহামিলন উৎসবে মুখ্যমন্ত্রী

সামনেই দোল পূর্ণিমা, তার পরদিন হোলি। বসন্তের এই রঙের উৎসবে গোটা দেশের সঙ্গে মাতবে বাংলাও। তবে এবার সেই...

আগুনে মেজাজে টিম ইন্ডিয়া, পিচের চরিত্র থেকে সম্ভাব্য প্রথম একাদশ, রইল ইডেনের খুঁটিনাটি

ইডেনে রবিবার টি২০ বিশ্বকাপের(T20 World Cup )মরন বাঁচন ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নামছে ভারত(India)। শনিবার ক্রিকেটের নন্দন কাননে...

তুমি আমি আর কবিতা: অভিনয়-রাজনীতি ছাপিয়ে অন্য শতাব্দী, মন্ত্রমুগ্ধ শিশির মঞ্চ

অভিনয় জগৎ থেকে রাজনীতির ময়দান— দুই জায়গাতেই তিনি সাবলীল। তিনি শতাব্দী রায়। তবে এবার তাঁর পরিচয় ছাপিয়ে উঠল...