জয়নগরে গিয়ে বিখ্যাত মোয়ার হাবের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার, সেখানে প্রশাসনিক সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানালেন, জয়নগরের মোয়া ইতিমধ্যেই GI ট্যাগ দিয়েছে। এবার সেই জয়নগরে মোয়ার (Jaynagarer Moa) হাব তৈরি করা হবে। একই জায়গা থেকে সব ধরনের মোয়ার বিকিকিনি হবে। তবে, জয়নগর থেকে তৃণমূল নেতৃত্বের পাঠানো মোয়া নিজে খান না। কেন? কারণও ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, সুন্দরবনের মধুর GI প্রাপ্তির কথা জানিয়েও সকলকে অভিনন্দন জানান তিনি।

এদিন গঙ্গাসাগর থেকে সোজা জয়নগরে প্রশাসনিক সভায় যান মুখ্যমন্ত্রী। সভামঞ্চ থেকে প্রকল্পের উদ্বোধনের পরেই জয়নগরের মোয়ার প্রশংসা করেন তিনি। খুশিতে হাততালি দেন উপস্থিত স্থায়ীরা। কিছুদিন আগেই GI ট্যাগ পেয়েছে জয়নগরের মোয়া। বলেন, “জয়নগরের মোয়া GI পণ্য হয়েছে। বিশ্ববিখ্যাত হয়েছে জয়নগরের মোয়া। তাই মোয়া তৈরির কারিগর, যাঁরা মোয়া বিক্রি করেন, তাঁদের বলি জয় হোক, জয় হোক, জয় হোক। জয় হে, জয় হে, জয়হে। জয়নগরে একটা মোয়ার হাব তৈরি করছি ২.৫ কোটি টাকা। এর ফলে যত মোয়া, সব এক জায়গা থেকে পেয়ে যাবেন আপনারা।” এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত সবাইকে অভিনন্দন জানান মমতা। মজার ছলে তিনি জানান, জয়নগরের বিধায়ক তাঁকে প্রচুর মোয়া পাঠান। মোটা হয়ে যাবেন বলে তিনি নিজে সেগুলি খেতে পারেন না। তাই অন্যদের দিয়ে দেন। বারুইপুর থেকে তাঁর কাছে পাঠানো ফলও তিনি সবকে বিলিয়ে দেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সকালে শুধু চা আর সামান্য খাবার। আর রাতে খাবার খান- জানালেন মমতা।


পাশাপাশি, সুন্দরবনের মধুর GI প্রাপ্তির কথা জানিয়েও সকলকে অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “সুন্দরবনের পণ্যের নাম সুন্দরিণী রেখেছিলাম আমি। আজ সুন্দরিণী মধুও বিশ্ববিখ্যাত হয়েছে, GI হয়েছে। মৌমাছি, বোলতার কামড় খেয়ে যাঁরা মধু সংগ্রহ করেন, সেগুলিকে খাবার যোগ্য করে তোলেন, তাঁদের অভিনন্দন। মধু শরীরের জন্য অত্যন্ত ভাল। আপনাদের জেলার মুকুটে দু’দুটি স্বর্ণপালক সংযোজিত হল।”


বাড়িতে অতিথি এলে বা নিমন্ত্রণ বাড়িতে জয়নগরবাসীকে মোয়া উপহার দেওয়ার পরামর্শও দেন মুখ্যমন্ত্রী।









