Tuesday, April 7, 2026

সন্দেশখালি-মামলায় শাহজাহানের বাড়ির সামনে সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ আদালতের

Date:

Share post:

সন্দেশখালি-মামলায় পুলিশকে একরাশ প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা হাইকোর্টে। তদন্ত কোন পথে এগোচ্ছে, সেটা আদৌ যথাযথ কি না, এবার সেই প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার সন্দেশখালি মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, ঘটনার পর পুলিশ শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়েছিল কি না। গেলেও বাড়িটা সিল করা হল না কেন, কেন কারও সঙ্গে কথা বলা হল না, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। তিনি বলেন, পুলিশের তদন্তের ধরন এত ধীর কেন। পরবর্তীতে ইডি অফিসাররা ওই জায়গায় গেলে নিরাপত্তা দেওয়া হবে কি না, সেটাও পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছেন বিচারপতি।

সন্দেশখালির ঘটনায় সোমবার পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মঙ্গলবার ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে সাত জন। মঙ্গলবার রাজ্যের তরফে সে কথা জানানো হয়েছে আদালতে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এদিন জানতে চান, কেন শাহজাহানের বাড়ির ভিতর যায়নি পুলিশ? সেই বাড়ি সিল করা হয়নি কেন? পাথর দিয়ে আঘাতের কথা জানার পরও লঘু ধারা দেওয়া হল কেন? বাড়ির সামনে সিসিটিভি বসিয়ে পুরো ঘটনা রেকর্ড করাতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের এজি কিশোর দত্ত জানিয়েছেন, গত ৫ জানুয়ারি, ঘটনার দিন শাহজাহানের বাড়িতে গেলেও ভিতরে যাওয়া হয়নি।তিনি জানান, ঘটনাস্থল সন্দেশখালির মধ্যে পড়ে না, ন্যাজাট থানার আওতায় পড়ে তাই ওই থানাকে জানানো হয়েছিল। এমনকী, সেদিন রাতেই বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল।বিচারপতি বলেন, এত সিরিয়াস ঘটনা। বাড়িটা সিলও করলেন না?

 

Related articles

ভোটার তালিকায় বহিরাগত ঢোকানোর ছক! প্রভুকে খুশি করতেই ব্যস্ত, কমিশনকে কটাক্ষ তৃণমূলের

বিজেপিকে খুশি করতে বিহার-উত্তরপ্রদেশ থেকে ভোটার আনা হচ্ছে বাংলায়! আর সুপরিকল্পিত চক্রান্তে বাংলার বৈধ ভোটারদের নাম কেটে ভোটাধিকার...

ভোটার তালিকায় জটিলতা মেটাতে তৎপর কমিশন, সিইও দফতরে বিশেষ দায়িত্বে বিভূ গোয়েল

ভোটার তালিকা সংশোধন তথা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিক টানাপড়েনের আবহে রাজ্যের নির্বাচনী পরিকাঠামোয় বড়সড় রদবদল ঘটাল ভারতের নির্বাচন...

গেরুয়া শিবিরে বিতর্কিত বাম নেতা অনিল বসুর পুত্র সৌম্য

বাবা বাম জমানার বিতর্কিত নেতা অনিল বসু (Anil Basu)। এবার তাঁর ছেলে সৌম্য বসুকে এবার দেখা গেল বিজেপির...

কারণ না দেখিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত! খারিজ জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ প্রস্তাব

দেখানোর মতো কোনও সুনির্দিষ্ট যুক্তিই নেই কেন্দ্রের। তাই কোনও কারণ ব্যাখ্যা না করেই সম্পূর্ণ একতরফাভাবে খারিজ করে দেওয়া...