নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে একাধিক নদীতে জলস্তর বাড়ায় ডিভিসি তাদের বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়িয়েছে। এর জেরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বন্যা পরিস্থিতির ফের অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিন সকালে ৮টার পর মাইথন থেকে ১০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত থেকে ১২ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে ৩৬ হাজার ৫৫০ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে।
মুষলধারে বৃষ্টি ও ডিভিসির জল ছাড়ার কারণে হাওড়া ও হুগলির কিছু অংশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে ডিভিসি আরও জল ছাড়তে হতে পারে । এদিকে লাগাতার বৃষ্টিতে কংসাবতী, হলদি ও রূপনারায়ণে জলস্তর বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে বলে সেচ দফতর সূত্রে জানা গেছে । এর জেরে পূর্ব মেদিনীপুরের বন্যা কবলিত এলাকায় মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।
এদিকে বন্যা ও ভাঙ্গন কবলিত মালদার মানিকচক ব্লকের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্য সরকারের ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল সেখানে পৌঁছেছে। বিগত কয়েক দিন ধরেই গঙ্গার জলে প্লাবিত মানিকচকের ভূতনির তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫ টি গ্রাম পঞ্চায়েত। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওঙ্কার সিং মিনার নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার মানিকচক পৌছয় রাজ্যের পরিদর্শক দল।
জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার, জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধিকর্তা ডা: দীপঙ্কর মাঝি, সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ এবং সচিব ও ডব্লিউবিআরআইডিডি দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার এই প্রতিনিধি দলে আছেন বলে জানা গিয়েছে।













