মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুদক্ষ নেতৃত্বে শিল্পক্ষেত্রে প্রথম সারিতে উঠে আসছে বাংলা। বাংলা বিশ্বের দরবারেও স্বীকৃতি পাচ্ছে। আসছে নতুন নতুন বিনিয়োগ। পরিকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে কর্মসংস্থানের সুযোগে বাংলা হয়ে উঠছে ভারতের অন্যতম শিল্পকেন্দ্র। অন্য রাজ্যকে পিছনে ফেলে বাংলাই হয়ে উঠছে দেশের শিল্প সম্ভাবনায় এক নম্বর।

বাংলার শিল্পে বিশ্বের নজর রয়েছে। ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলায় বসছে বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের আসর। বাংলা প্রস্তুত নিজেদের বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে। দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলার শিল্প পরিবেশ তুলে ধরতে তৈরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। বাংলায় ইতিমধ্যেই তৈরি হচ্ছে নতুন শিল্প করিডোর। রঘুনাথপুর-ডানকুনি -তাজপুর, ডানকুনি-কল্যাণী এবং ডানকুনি-ঝাড়গ্রাম শিল্প করিডোর জুড়ে শিল্পের পরিবেশ তৈরি হয়েই আছে। এখন শুধু বিনিয়োগ আর নতুন শিল্পের বাস্তবায়ন. তাহলেই উৎপাদন আর কর্মসংস্থানে নজির গড়ে দেশের শিল্প মানচিত্রে শীর্ষস্থানে পৌঁছে যাবে বাংলা।
প্রসঙ্গত, বাংলায় রয়েছে ২২টি আইটি পার্ক। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তা বিস্তৃত। আড়াইশো একর জায়গা জুড়ে বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি হাব গড়ে উঠছে। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে তা নবজাগরণ এনে দেবে। বাংলা এই মুহূর্তে ভারতের রফতানি বাণিজ্যের অষ্টম স্থানে রয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতের প্রধান বাজারগুলি হল— বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, আমেরিকা, নেপাল, চিন এবং ভুটান।

এছাড়া বাংলার প্রধান প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দর ও মেটিয়াবুরুজ মেগা লেদার ক্লাস্টার। এ জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। ১৮২৬ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে ১৪ হাজারের বেশি উদ্যোগপতিকে। বোলপুরে একটি পঞ্চাশ একর জায়গায় উদ্যোগপতি হাব ‘বিশ্ব ক্ষুদ্র বাজার’ তৈরি হয়েছে। মসলিন শিল্প পুনরুদ্ধার প্রকল্পে ৬২ কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে ৩০০০ বয়ান শিল্পীকে সহায়তা করা হয়েছে। চারটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে। তাঁতি সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে ১,১২,৩০০টি তাঁত যন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে তাঁতিদের।

আরও পড়ুন- মেটিয়াবুরুজের সেবাশ্রয় শিবির: দ্বিতীয় দিনে পরিষেবা ৮,৩৩২ জনকে

_

_

_
_
_
_
_
