ভুয়ো এপিক কার্ড ইস্যুতে গোটা দেশের কাছে মুখোশ খুলে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের। কখনও ভুল স্বীকার করে, কখনও কোন পথে ভুল সংশোধন তা প্রকাশ্যে এনেছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। দিল্লির দায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির ঘাড়ে চাপিয়ে সব রাজনৈতিক দলের আস্থা অর্জন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যে শুক্রবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে সর্বদল বৈঠকের (all party meeting) আয়োজন করা হয়। তবে কমিশনের ভাবমূর্তি যে কমিশনের কাজের মধ্যে দিয়েই ফিরিয়ে আনতে হবে সাধারণ মানুষের কাছে, বৈঠকে তা স্পষ্ট করে দেয় তৃণমূল।

কীভাবে এপিক কার্ড (epic card) দুর্নীতি করে একের পর এক রাজ্যে ভোটে জিতেছে বিজেপি, তার মুখোশ খুলে ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তারপরই দেশ জুড়ে কমিশনের নির্দেশিত পথে রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলি এপিক কার্ড সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেই সঙ্গে রাজের স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলি নিয়ে শুক্রবার বৈঠকে (all party meeting) বসেন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের সিইও।

দিল্লি, মহারাষ্ট্র মডেলে জয় পাওয়া যাবে না বাংলার বিধানসভা ভোটে, ভুয়ো এপিক কার্ড (epic card) ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের ডাকা সর্বদল বৈঠকে আরও একবার দলনেত্রীর এই বার্তার কথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিল তৃণমূল। শুক্রবার দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির নেতৃত্বে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে ডাকা সর্বদল বৈঠকে (all party meeting) যোগ দেয় তৃণমূল কংগ্রেস।

মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, বহিরাগত ভুতুড়ে ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করে বিহার মহারাষ্ট্রে ভোটে জিতেছে বিজেপি। এখানেও ভিন রাজ্যের ভোটারদের নাম তালিকায় যুক্ত করে একই মডেল কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এখানে কমিশনকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। দলের তরফে স্মারকলিপি দিয়ে সেকথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের অন্য সদস্য জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, আমরা বৈঠকে বলেছি, কমিশনের (Election Commission) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে। কমিশনকেই তাঁদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।


–


–

–

–

–
–

–
