Thursday, April 23, 2026

বিধানসভায় পাস বিলে ‘ভেটো’ দিতে পারেন না: সুপ্রিম-ভর্ৎসনা তামিলনাড়ু রাজ্যপালকে

Date:

Share post:

দিনের পর দিন বিধানসভা থেকে পাস হয়ে আসা বিলে সই না করে ফেলে রেখে দেওয়া অ-বিজেপি রাজ্যগুলিতে রাজ্যপালদের ট্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলার মহিলা নিরাপত্তায় নেওয়া অপরাজিতা বিলের (Aparajita Bill) ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছিল। যদিও বাংলার শাসকদলের চাপে বিলে সই করতে বাধ্য হয়েছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তবে তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। রাজ্যপাল আর এন রবি (R N Ravi) মাসের পর মাস ফেলে রেখে দিয়েছেন অন্তত ১০ টি বিল। বিলগুলি আইনে পরিণত না হওয়ায় এবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ ডিএমকে (DMK) প্রশাসন। সেই মামলায় রাজ্যপালের এই নিষ্ক্রিয়তার জন্য ভর্ৎসিত রাজ্যপাল আর এন রবি।

বিধানসভায় পাস হয়ে আসা কোনও বিলকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেলে রেখে দিতে পারেন না রাজ্যপাল। অথবা তাতে পকেট ভেটো (pocket veto) বা সর্বোচ্চ ভেটো (absolute veto) দেওয়ার কোনও অধিকারও রাজ্যপালকে দেয় না সংবিধানের ২০০ নম্বর ধারা। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ রাজ্যপালের সংবিধানের ২০০ নম্বর ধারা অনুযায়ী কোনও বিলে সাক্ষর করা, ধরে রাখা বা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানোর কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। কিন্তু সেক্ষেত্রে উল্লেখ রয়েছে যত শীঘ্র সম্ভব (as soon as possible) সেই অনুমোদন দিতে বা পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে রাজ্যপালকে।

সেক্ষেত্রে মাসের পর মাস অন্তত ১০ টি বিলকে আইনে পরিণত হওয়া থেকে আটকে রেখেছিলেন রাজ্যপাল রবি (R N Ravi)। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে বি পার্দিওয়ালা ও বিচারপতি আর মহাদেবনের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলায় তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) ডিএমকে সরকারের পক্ষেই রায় দেয়। সেই সঙ্গে পর্যবেক্ষণে জানানো হয়, ভবিষ্যতে সময়সীমা মেনে এই পদক্ষেপ নিতে রাজ্যপাল (Governor) ব্যর্থ হলে আইন সেখানে পদক্ষেপ নেবে।

অনবধানবশত ভুল
মুখ্যমন্ত্রীর অক্সফোর্ডের সভায় জনা কয়েক রাম-বাম অসভ্যতার করেছিল। সে নিয়ে সব মহলেই নিন্দার ঝড়। যারা এই অসভ্যতা করেছিল তাদের নিয়ে ‘মমতার সভায় ‘অসভ্যতার’ দায় স্বীকার SFI UK-র, পোস্ট করে তীব্র আক্রমণ কুণালের’ ২৮ মার্চের- শীর্ষক প্রতিবেদনে সুচিন্তন দাসের নাম ছিল। তিনি ওই সভায় ছিলেন না বলে সুচিন্তনের তরফে একটি চিঠিতে জানান হয়েছে। তাঁর দাবিকে মান্যতা দিয়ে Biswa Bangla Sangbad জানাচ্ছে, ভারতীয় সময় গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটায় সত্যতা যাচাই করা সম্ভব ছিল না। ফলে অনবধানবশত ভুলটি হয়েছে। এজন্য আমরা দুঃখিত। তবে যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছিল তাদের জন্য বাংলা কলঙ্কিত হয়েছে।

Related articles

বৌবাজারে হবে সোনার হাব: নয়নার ভোটপ্রচারে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমোর

বৌবাজারে (Boubazar) হবে সোনার হাব- এই প্রতিশ্রুতিকে সামনে রেখেই কলকাতার চৌরঙ্গীর (Chowringhee) জনসভা থেকে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার বার্তা...

প্রবল গরমে ভোট: প্রাণ গেল আরও ৪ ভোটারের

প্রচণ্ড গরম আর দীর্ঘ লাইনের চাপের মধ্যেই শুরু হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections) প্রথম দফার...

কেন এত ভোটদান? প্রথম দফার ভোটদানের হারের ব্যাখ্যা মমতার, কটাক্ষ মোদির প্রচারকে

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণে বিকেল ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৭৯ শতাংশ। চৌরঙ্গীর দলীয় প্রার্থী নয়না...

রেকর্ড ভোটদান তামিলনাড়ুতে: ভোট দিলেন রজনীকান্ত, ধনুশ থেকে আটলি

বাংলার পাশাপাশি ২৩ এপ্রিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য তামিলনাড়ুতেও বিধানসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হয়। এবার এই রাজ্যেও ভোটাদানের হার যথেষ্ট...