Friday, January 30, 2026

রাম-বামের চক্রান্তের প্রতিবাদে তৃণমূল ছাত্র-যুবদের ধিক্কার মিছিলে উত্তাল রাজপথ

Date:

Share post:

বাংলার শিক্ষাব্যবস্থাকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে নোংরা চক্রান্ত করেছে বিজেপি-সিপিএম। সেই সুপরিকল্পিত চক্রান্তের জেরেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়েছে বাংলার প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের চাকরি। চাকরিহারা সেইসব যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাশে দাঁড়িয়ে বুধবার কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ-মিছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও যুব তৃণমূলের। বাম-রামের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্র-যুবদের প্রতিবাদে উত্তাল হল শহরের রাজপথ। শুধু কলকাতাই নয়, দলের নির্দেশে আগামী শুক্রবার বাংলা জুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে নামবে তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা। বৃহত্তর সেই আন্দোলনের আগে প্রস্তুতিপর্বে এদিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বিশাল মিছিলে জনস্রোত দেখা গেল।

বুধবার দুপুরে রাজপথে চড়া গরম উপেক্ষা করে মিছিলে পা মেলালেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিভিন্ন ইউনিট ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ও যুব তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সায়নী ঘোষ। ছিলেন মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, কোহিনুর মজুমদার, সুদীপ রাহা, শ্রেয়া পাণ্ডে, প্রিয়দর্শিনী ঘোষ, মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের যুব নেতৃত্বরা। মিছিল থেকে বিজেপি সরকারের তুঘলকি সিদ্ধান্তে জীবনদায়ী ওষুধ ও রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ উঠে আসে। বাম আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্যের বারবার মামলা করে বাংলার শিক্ষকদের চাকরি ‘খাওয়া’ নিয়েও সরব হন তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা।

মিছিল শেষে ধর্মতলায় সভামঞ্চ থেকে বাম-রামের নোংরা রাজনীতিকে ধিক্কার জানান সাংসদ সায়নী ঘোষ ও ছাত্রনেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। তৃণাঙ্কুর বলেন, আরজি কর থেকে যাদবপুর, বারবার নোংরা ষড়যন্ত্র করে বাংলাকে বদনাম করার চেষ্টা করেছে বিজেপি-সিপিএম। আজকে তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা এই মিছিলের মাধ্যমে প্রমাণ করল, নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একবার ইশারা করলে এই বাংলা থেকে বাম-রামকে হাওয়া করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে ছাত্র-যুবরা। অন্যদিকে সায়নী ঘোষ বলেন, সিবিআই যদি টেন্টেড-আনটেন্টেড বাছাই করেই থাকে, যদি দুর্নীতিগ্রস্তদের খুঁজে পাওয়াই যায়, তাহলে কেন যোগ্যদের বলি করা হল? কারণ, ওদের উদ্দেশ্য রাজনীতি করা। আরজি কর আন্দোলনের নামে বাংলার স্বাস্থ্যব্যবস্থা, সন্দেশখালির মাধ্যমে পুলিশ-প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা এবং এসএসসির চাকরিপ্রাপ্তদের চাকরি বাতিল করে বাংলার শিক্ষা পরিকাঠামোকে টার্গেট করতে চেয়েছে ওরা। অর্থাৎ রাজ্য জুড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল সরকারকে কালিমালিপ্ত করে বিশৃঙ্খলা তৈরিই বাম-রামের মূল উদ্দেশ্য। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

 

spot_img

Related articles

আজকের রাশিফল

মেষ: পথে আজ সামান্য কাঁটা থাকতে পারে, তবে ঘাবড়াবেন না। কলম যাঁদের হাতিয়ার, তাঁদের জন্য আজ সাফল্যের দিন।...

হিরের দ্যুতিতে সাজবে শহর, শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সে শুরু হল ‘গ্লিটারিয়া’ উৎসব

সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে হিরের গয়নাকে পৌঁছে দিতে ফের হাজির হল শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স। ৩০ জানুয়ারি থেকে...

জ্যোতি বসুর রেকর্ড ভাঙবেন মমতাই! ফুলিয়ার জনসভা থেকে চ্যালেঞ্জ কুণালের

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জ্যোতি বসুর দীর্ঘ মেয়াদের রেকর্ড শুধু ভাঙবেনই না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন এক নজির গড়বেন যা দেশের...

কৃত্তিবাসী রামায়ণ এখনও কেন ফ্রান্সে? ফেরাতে উদ্যোগী কুণাল

কৃত্তিবাসী রামায়ণের আদি পাণ্ডুলিপি এ দেশে নেই, রয়েছে সুদূর ফ্রান্সের এক জাদুঘরে। বৃহস্পতিবার নদিয়ার ফুলিয়ায় গিয়ে এমনই এক...