Monday, January 12, 2026

পরিবারের অমতে বিয়েতে পুলিশ নিরাপত্তা দেবে কেন, এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে চাঞ্চল্য

Date:

Share post:

বাবা-মার বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের পছন্দের মানুষকে বিয়ে করার পর থেকে আতঙ্কে ভুগছেন দম্পতি। নিরাপত্তার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শ্রেয়া কেশরওয়ানি (Shreya Kesarwani) ও তাঁর স্বামী। কিন্তু দম্পতির আবেদনে সাড়া দিল না এলাহাবাদ হাই কোর্ট (Allahabad High Court) । বিচারপতি সৌরভ শ্রীবাস্তবের (Saurav Shreevastav) পর্যবেক্ষণ এই ধরনের আবেদনের কোনও ভিত্তি নেই। তিনি মামলাকারীর কাছে জানতে চান, পরিবারের অমতে বিয়ের কারণে তাঁদের নিজেদের মধ্যে যদি কোনও সমস্যা হয় সেই দায়িত্ব পুলিশের নয়। তাহলে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের জেরে পুলিশি নিরাপত্তা চাওয়ার প্রশ্ন উঠছে কোথা থেকে।

মামলাকারীদের তরফে পিটিশনে উল্লেখ করা হয়, পরিবারের অমতে বিয়ে করার জন্য তাঁদের উপর আক্রমণ হতে পারে এই আশঙ্কায় তাঁরা একদিকে যেমন নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন, অন্যদিকে তাঁদের পরিবার যাতে বিবাহিত দম্পতির জীবনে কোন হস্তক্ষেপ না করে সেই দিকটিও বিচার করুক আদালত। বৃহস্পতিবার এলাহাবাদ কোর্টে মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য যাচাইয়ের পর বিচারপতি বলেন, “মামলাকারীদের পরিবারের কারণে তাঁদের কোনওরকম ক্ষতি হতে পারে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। আদালত অবশ্যই উপযুক্ত মামলায় নিরাপত্তা দিতে পারে তবে মামলাকারীদেরও নিজেদের পরিবার ও সমাজের মুখোমুখি হওয়ার সাহস জোগাতে হবে।” এরপরই দম্পতির মামলা খারিজ করে দেয় এলাহাবাদ কোর্ট (Allahabad High Court)। স্বাভাবিকভাবেই এই রায়ের জেরে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

 

spot_img

Related articles

সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন ইডি-র: সোমেই শুনানির আবেদন

রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিলের পরে শীর্ষ আদালতে দ্রুত তৎপরতা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ইডি। সেখানে...

আম্বেদকর মূর্তির রেলিংয়ে ধাক্কা লরির! ভোরের কলকাতায় এড়ানো গেল বড় দুর্ঘটনা

বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল সোমবার ভোরে রেড রোডে। নিরাপত্তায় মোড়া রেড রোডে সোমবার ভোরে একটি লরি সোজা এসে...

শীতলতম কল্যাণী: চলতি সপ্তাহে কলকাতায় পারদ ছোঁবে ১২ ডিগ্রি

শুধু শীতের আমেজ নয়, গোটা বাংলা এ বছরের শীতে হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডাতেই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। সেই অভ্যাসে নতুন...

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে কাজের মধ্যেই শ্রদ্ধা: সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনিই বলেছিলেন গীতাপাঠের চেয়ে ফুটবল খেলা ভালো। যার অন্তর্নিহিত অর্থ কর্মই অনেক বেশি কাঙ্খিত, ধর্মের আলোচনার থেকে। আর...