Wednesday, February 25, 2026

‘গর্ধশিক্ষিত’ বিজেপি! কৃতীদের অসম্মান ও কুৎসা

Date:

Share post:

তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াইয়ে না পেরে কুৎসা ও অপপ্রচারের সহজ রাস্তায় শুরু হল বিজেপির পথচলা। আর তা করতে করতে নিজেরা নিজেদের যে কখন গর্ধশিক্ষিত বলে প্রমাণ করে ফেলেছে তা বিজেপির নেতা-নেত্রীরা টেরও পায়নি।

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলে, প্রশাসনে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষকে জায়গা করে দিয়েছেন। যা ভূ-ভারতে অন্য কোনও দল করে দেখাতে পারেনি। ক্রিকেটার থেকে গায়ক, সমাজসেবক থেকে অভিনেতা, ফুটবলার থেকে স্বনামধন্য শিল্পী, শিক্ষক, অধ্যাপক, চিন্তাবিদ, ব্যুরোক্র্যাট— কে নেই সেখানে! এমনকী মহিলাদের সামনের সারিতে আনার ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশে বাকি রাজনৈতিক দলগুলির কাছে পথপ্রদর্শক। এই অবস্থায় বিজেপি ইউসুফ পাঠানের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্রিকেটার, কীর্তি আজাদের মতো বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার, শত্রুঘ্ন সিনহার মতো জাতীয় স্তরের জনপ্রিয় অভিনেতা, সুস্মিতা দেবের মতো সমাজকর্মীদের নিয়ে নজিরবিহীন কুৎসা চালিয়ে যাচ্ছে। এঁদের ক্রমাগত বহিরাগত বলে আসলে নিজেরা যে ‘গর্ধশিক্ষিত’ সেটাই প্রমাণ করছে।

নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যসভা এবং লোকসভায় যে-কেউ দেশের যে-কোনও প্রান্ত থেকেই দাঁড়াতে পারেন। নরেন্দ্র মোদি গুজরাতের লোক হয়েও বারাণসী থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচনে লড়েছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অসম থেকে রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন। এরকম ভূরি ভূরি উদাহরণ রয়েছে আমাদের দেশে। যদি এঁরা বহিরাগত না হয়ে থাকেন তবে, কোন অঙ্কে ইউসুফ পাঠান, কীর্তি আজাদেরা বাংলা থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে গিয়ে বহিরাগত হবেন? সুস্মিতা দেব বাংলা থেকে রাজ্যসভায় গিয়েছেন। তার মানে তিনিও বহিরাগত? কারণ তিনি অসমের বাসিন্দা। এই ধরনের হাস্যকর এবং ছেঁদো যুক্তি এবং সংবিধান ও রাজনীতির অ-আ-ক-খ না জেনে নির্লজ্জ বেহায়ার মতো তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কুৎসা করা ছাড়া বিজেপির আর কিই বা করার আছে! কারণ একমাত্র বাংলাতেই তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে বিজেপি পরপর নির্বাচন হেরেই চলেছে। সমস্ত রকম হুংকার-এজেন্সি রাজনীতি-কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সবকিছু সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি বিজেপি। অদূর ভবিষ্যতেও পারবে না। কারণ এই ‘গর্ধশিক্ষিত’রা যতই কুৎসা করুক না কেন বাংলা তাদের ঘরের মেয়েকেই চায়। আর বাংলার সিগন্যাল সবসময় ‘গ্রিন’ ছিল, ২০২৬-এও তাই থাকবে।

আরও পড়ুন – সন্ত্রাসবাদীর বিরুদ্ধে ভারতের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে বিশ্বকে সহযোগিতার আহ্বান অভিষেকদের

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

spot_img

Related articles

হাই কোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে মামলা শীর্ষ আদালতে! ফের আইনি জটিলতায় ৩২ হাজার চাকরি

নতুন করে আইনি জটে বিদ্ধ হতে চলেছে প্রায় ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের ভবিষ্যৎ। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ যে...

বিয়ের মঞ্চে কনেকে গুলি! অভিযুক্তর পরিচয় জেনে স্তম্ভিত সকলে

বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই বদলে গেল ভয়াবহ ঘটনায়। বিহারের (Bihar) বক্সার (Buxar) জেলার চৌসা এলাকায় বিয়ের মঞ্চে মালাবদলের সময়...

ভোটে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই নয়া ফন্দি! BJP-র হয়ে রিল বানালেই ২০ হাজার

ভোটের লড়াইয়ে মাঠে ময়দানের জোর না পেয়ে ডিজিটাল মিডিয়ায় সমর্থন টানতে টাকা হাতে নেমে পড়েছে গেরুয়া শিবির। ছাব্বিশের...

ফের বাংলার মুকুটের সেরার তকমা, ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে দেশে প্রথম

স্বল্প সঞ্চয়ে ফের দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের আওতাধীন বিভিন্ন ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে জমার অঙ্কের নিরিখে প্রথম স্থান...