Sunday, June 21, 2026

পার্লামেন্টোফোবিয়া! বিরোধীদের দাবি নস্যাৎ করে কেন্দ্রের ঘোষণা, কটাক্ষ তৃণমূলের

Date:

Share post:

পহেলগাম হামলার (Pahalgam attack) পরবর্তীতে হাজারো অন্ধকার, পাকিস্তানের জঙ্গিদের হামলা নিয়ে। হামলাকারীদের সন্ধান থেকে দেশের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রের সরকার অবস্থান স্পষ্ট করুক, দাবি জানিয়ে দেশের ১৬টি বিরোধী দল সংসদে (Parliament) অধিবেশনের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। বিরোধী জোটের দাবিকে সম্পূর্ণ স্বৈরাচারী ভঙ্গিতে খারিজ করে সংসদের বাদল অধিবেশনের দিনক্ষণ জানিয়ে দিল কেন্দ্রের মোদি সরকার। তাতে দেখা গেল কোনওভাবেই অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ করা হয়নি পাকিস্তানের জঙ্গি হামলা নিয়ে আলোচনার জন্য। মোদি সরকারের এই আচরণকে ‘পার্লামেন্টোফোবিয়া’ বলে দাবি তৃণমূলের।

দেশের অবস্থান পাকিস্তানকে নিয়ে স্পষ্ট করতে এখনও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরছে দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে রাজনীতিকে সরিয়ে দেশের স্বার্থের কাজ করার বার্তা সবথেকে স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee)। রাজনৈতিক বা আদর্শগত মত পার্থক্য থাকলেও পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদে মদতের বিরোধিতায় সবরকমভাবে যে বিরোধীরা কেন্দ্রের সরকারের পাশে রয়েছে, বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে একাধিকবার স্পষ্ট করে তা তুলে ধরেন অভিষেক। পরিবর্তে দেশের বিরোধী দলগুলির তরফ থেকে কেন্দ্রের সরকারের কাছে পহেলগাম হামলা ও তার পরবর্তীতে মোদি সরকারের প্রস্তুতি পদক্ষেপ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি জানানো হয়।

মঙ্গলবার তৃণমূল রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien) দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান ১৬ টি বিরোধী দলের পদক্ষেপ নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ অধিবেশনের দাবি জানানো হবে বলে তিনি জানান। এই বিষয়ে ইন্ডিয়া জোটের (INDIA) বিরোধী দলগুলি দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে ঘন্টা খানেক বৈঠকে বসে। এই বিরোধী দলগুলির মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, আরজেডি, শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী)-র মতো বিরোধী দল। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে প্রায় ৩০০ সাংসদ সেই দাবির চিঠিতে স্বাক্ষর করেন বলে জানান ডেরেক।

বিরোধীদের তরফ থেকে এই ঘোষণার পরেই রাতারাতি সংসদের বাদল অধিবেশনের ঘোষণা করে দেন সংসদ বিষয়ম মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। ২১ জুলাই থেকে সংসদে শুরু বাদল অধিবেশন। কেন্দ্রের এই সরকারের পদক্ষেপের পরে ডেরেকের প্রতিক্রিয়া, ‘পার্লামেন্টোফোবিয়া’ (Parliamenophobia), (মোদি) সরকারের এই জটিল পরিস্থিতির জন্য এটাই আমার শব্দবন্ধ, যে সরকারের সংসদকে প্রত্যক্ষ করার জন্য রোগগ্রস্থের মতো পরিস্থিতি। তারা পালিয়ে যাচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন থেকে।

Related articles

২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য দিবস কেন?

আজকের দিনে, অর্থাৎ 1947 সালের 20 জুন বঙ্গীয় আইনসভার বৈঠকে অখণ্ড বাংলার বিধায়করা বাংলা ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য...

আয়ুর্বেদ নিয়ে ঢাকঢোল কেন্দ্রের, ১২১ কোটিতে বেসরকারি হাতে রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ সংস্থা 

একদিকে যখন দেশজুড়ে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবহার বাড়াতে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার লাগাতার প্রচার চালাচ্ছে, ঠিক তখনই...

যোগের দিবসের আগে অভিনব ড্রোন শো, সাক্ষী মুখ্যমন্ত্রী

রবিবার দেশজুড়ে পালিত হবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে কলকাতা। শুক্রবার সকাল থেকেই যোগ দিবসের কাউন্টডাউন শুরু...

সময়সীমা বাড়াতে নারাজ দিল্লি পুলিশ! শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে যন্তর মন্তরে অনড় দীপকে 

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নিট (NEET) পরীক্ষার অনিয়ম ঘিরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উত্তাপ আরও...