দেশের রাজনৈতিক দল ও সাধারণ নাগরিকদের চাপের মুখে অবশেষে নির্বাচন ঘোষণা করতে বাধ্য হলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা (Chief Adviser) মহম্মদ ইউনূস (Mohammed Yunus)। দাবি করলেন, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধেই বাংলাদেশে নির্বাচন হবে। অযথা দেরি করার জন্য যথেষ্ট অজুহাত দেখানোরও চেষ্টা করেন তিনি। সেই সঙ্গে দাবি করেন, এই নির্বাচন জাতির কাছে স্মরণীয় নির্বাচন হয়ে থাকবে।

দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন না হওয়ায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যেই যথেষ্ট অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছিল। এবার সেই ক্ষোভ মেটাতে মাঠে নামলেন খোদ মহম্মদ ইউনূস (Mohammed Yunus)। শুক্রবার একটি ভিডিও বার্তায় তিনি ঘোষণা করেন, আমি আজ দেশবাসীর কাছে ঘোষণা করছি যে আগামী নির্বাচন (General Election) ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধের যে কোনও একটি দিনে অনুষ্ঠিত হবে। এই ঘোষণার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন উপযুক্ত সময়ে আপনাদের কাছে নির্বাচনের বিস্তারিত রোড ম্যাপ প্রদান করবেন।
ইউনূস বোঝানোর চেষ্টা করেন, বাংলাদেশে (Bangladesh) এখনও নির্বাচনের পরিস্থিতি নেই। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে দেশে নির্বাচনে অনুষ্ঠিত করার জন্য যা যা করার দরকার সরকার তাই করবে। এখানে মনে রাখা দরকার বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে যতবার গভীর সংকটে নিমজ্জিত হয়েছে তার পিছনে মূল কারণ ছিল ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন।

সেই সঙ্গে ইউনূস প্রতিশ্রুতি দেন, আমরা এমন নির্বাচন চাই যা দেখে অভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মা তৃপ্তি পাবে। তাঁদের আত্মা শান্তি পাবে। আমরা চাই আগামী নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোটার, সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ও দল অংশ নিক। এটা সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসাবে জাতির কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকুক।

–

–

–

–
–
–
–
–
–
–
