মার্কিন প্রশাসনের সামনে নিঃশর্ত সমর্পণ পাকিস্তান প্রশাসন, সামরিক প্রধান আসিম মুনিরের। প্রতিবাদে পাকিস্তানের (Pakistan) রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও-এর ডাক দিয়েছিল ইসলামিক রাজনৈতিক সংগঠন তেহরিক-ই-লব্বাইক (TLP) পাকিস্তান। সেই বিক্ষোভ ঠেকাতে পাক পুলিশের লাঠিচার্জ ইসলামাবাদ (Islamabad) শহরে। বিক্ষোভ ঠেকাতে রাজধানী ইসলামাবাদ-সহ লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি শহরে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ (internet suspended) করে দিল পাকিস্তান প্রশাসন।
গাজায় শান্তি চুক্তিতে নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে একেবারে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সামরিক প্রধান আসিম মুনিরের। টিএলপি-র দাবি, গাজা নিয়ে যে শান্তি চুক্তি (ceasefire) হয়েছে তা গাজার (Gaza) নিরীহ বাসিন্দাদের আরও বিপদে ফেলতে চলেছে। তা সত্ত্বেও সেই চুক্তিতেই সহমত প্রকাশ করেছে বর্তমান পাকিস্তান প্রশাসন। প্রতিবাদে ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাস (US embassy) ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয় টিএলপি-র (TLP) তরফ থেকে। সেই সঙ্গে মিছিলের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকেই পাকিস্তানে লাগাতার প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে টিএলপি। লাহোরে (Lahore) বৃহস্পতিবার তাদের মিছিল পুলিশ আটকালে দুপক্ষের ভয়াবহ মারামারি হয়। পুলিশের মারে ২ প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়। প্রায় দুডজন মানুষ আহত হন। প্রতিবাদে লাহোর শহরে বিক্ষোভ আরও জোরালো হয়।

আরও পড়ুন: তালিবান মন্ত্রীর ভারত সফরের সময়ই কাবুলে একাধিক বিস্ফোরণ, নেপথ্যে পাকিস্তান!

এর প্রতিবাদে শুক্রবার ফের মিছিল করে মার্কিন দূতাবাস (US embassy) ঘেরাওয়ের ডাক দেয় টিএলপি (TLP)। মিছিল ঠেকাতে রাজধানী ইসলামাবাদে (Islamabad) ঢোকার সব রাস্তা বড় বড় কন্টেনার দিয়ে অবরুদ্ধ করে শরিফ প্রশাসন। মোতায়েন করা হয় পুলিশ ও সেনাবাহিনী। খালি করে দেওয়া হয় রাজধানীর বড় হোটেলগুলি। প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ ইসলামাবাদ শহরের বাইরে জমায়েত করে। বাধা টপকাতে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর বৃষ্টি হয়। পাল্টা পুলিশ প্রতিবাদীদের উপর ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। শুক্রবারের ঘটনায় অন্তত ২৮০ জনকে গ্রেফতার করে পাকিস্তান পুলিশ।

–

–

–
–
–

