Wednesday, April 22, 2026

খাদ্যসাথী-মা ক্যান্টিন-দুয়ারে রেশন-সুফল বাংলা: বিশ্ব খাদ্য দিবসের শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

Date:

Share post:

খাদ্য হল জীবনের প্রাণ। পেটে দু-মুঠো না দিলে কোনভাবে চলাফেরা সম্ভব নয়। আর সেই কারণে সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা সুনশ্চিত করাই হল বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রধান লক্ষ্য। আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস। এই দিনে এক্স হ্যান্ডেলে বাংলায় তৃণমূল সরকারের (TMC Government) প্রকল্পগুলি তুলে ধরে বিশ্ব খাদ্য দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন,”সকলকে জানাই বিশ্ব খাদ্য দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা!রাজ্যের সকল মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা আমাদের সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। আর এই লক্ষ্যে ২০১১ সালের পর আমরা অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ করেছি। যেমন –
‘খাদ্যসাথী’ প্রকল্পে রাজ্যের প্রায় ৯ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছি আমরা।
এর মধ্যে প্রতি মাসে রাজ্যে ৭ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষ “দুয়ারে রেশন” এর মাধ্যমে তাঁদের বাড়ির দোরগোড়ায় বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। অবশিষ্ট উপভোক্তারা নিজেদের পছন্দমতো রেশন দোকান থেকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করছেন।
জঙ্গল মহলের মানুষজন, আয়লা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষক পরিবার, টোটো জনজাতি এবং চা বাগানের শ্রমিক মিলিয়ে প্রায় ৫৪ লক্ষ মানুষকে বিশেষ প্যাকেজে বর্ধিত হারে খাদ্যশস্য প্রদান করা হচ্ছে।
দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ছট পুজো এবং রমজান মাসে ও ঈদ উৎসব উপলক্ষে দরিদ্রতম পরিবারগুলিকে চিনি, ময়দা এবং ছোলা (কেবল রমজান মাসে) ভর্তুকি মূল্যে প্রদান করা হয়।”

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মা ক্যান্টিনের কথাও উল্লেখ করে লিখেছেন,”‘মা’ প্রকল্পে গরীব মানুষদের দুপুরের খাবার মাত্র ৫ টাকায় দেওয়া হচ্ছে। ৩৫৬টি ‘মা ক্যান্টিন’-এ ৮ কোটি ৫৮ লক্ষ দরিদ্র মানুষ উপকৃত হয়েছেন।
খাদ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে খাদ্য সুরক্ষা বজায় রাখার জন্য রাজ্যের ১৬ লক্ষ ৫০ হাজার কৃষকবন্ধুর কাছ থেকে চলতি বছরে রেকর্ড পরিমাণ ৫৬ লক্ষ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ধান রাজ্য সরকার সরাসরি কিনেছে। এর ফলে আমার কৃষকরাও তাঁদের ধানের ন্যায্য মূল্য পেয়েছেন যা সরাসরি তাঁদের ব্যাংক একাউন্টে জমা পরেছে।
রাজ্যজুড়ে ‘সুফল বাংলা’র ৭৪৫টি আউটলেট থেকে বাংলার মানুষ সব্জি, ফল বাজারদরের থেকে অনেক কমদামে পাচ্ছেন। এখন সুফল বাংলাতে মাছও সুলভে বিক্রি হচ্ছে। মানুষের সুবিধার্থে এই আউটলেট আরো অনেক বাড়ানো হচ্ছে।
সকল মানুষের খাদ্যের অধিকার বজায় রাখার জন্য আমাদের এই সার্বিক প্রচেষ্টা আগামীদিনেও একইভাবে অব্যাহত থাকবে।
জয় বাংলা!”

Related articles

ফায়ার স্টেশন থেকে পোর্টের জমি পুনরুদ্ধার! বড়বাজারের ভোলবদলের কথা মনে করিয়ে দিলেন নেত্রী

বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা বড়বাজারের জমি পুনরুদ্ধার থেকে ব্যবসায়ীদের জন্য কমিটি— তৃণমূল জমানায় বড়বাজার এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার। মঙ্গলবার...

ড্রাই ডে করল কে? কমিশনের প্রশাসন আর সিইও-র দায় ঠেলাঠেলি!

রাজ্যের প্রশাসনের সব ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে। অথচ কমিশনের নির্দেশ ছাড়া না কি কাজ করছে আবগারি দফতর! রাজ্যে...

ডিএ বৃদ্ধি-প্রকল্প ঘোষণা জুমলা সরকারের ‘নির্বাচনী টোপ’! কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন নেত্রী

বাজেটে কোনও ঘোষণা করেনি কেন্দ্র। ভোটের মুখে বিধি ভেঙে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি, আবার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ২ শতাংশ...

তৃণমূল নেত্রীকে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা! পতাকা-প্রতীক ছাড়াই আড্ডা মমতার

কখনও হেলিকপ্টার উড়তে বাধা। কখনও সভা করতেই অনুমতি নেই। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য হরেক নিয়ম লাগু করার জন্যই নির্বাচন...