সাদা রঙের একটি হুন্ডাই আই–২০ গাড়ি ধীরে ধীরে এসে ট্রাফিক সিগন্যালের সামনে থামতেই মুহূর্তের মধ্যে ঘটে বিস্ফোরণ। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর লালকেল্লার ১ নম্বর গেটের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে দিল্লি।সরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৮, তবে অসমর্থিত সূত্রে খবর, মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৩ জনের। জখম ৩০ জনেরও বেশি।
বিস্ফোরণের পর মুহূর্তেই ছুটে আসে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ক্রাইম ব্র্যাঞ্চ। তল্লাশি শুরু হয় গাড়ির মালিকের খোঁজে। উদ্ধার হয় গাড়ির নম্বর — HR26CE7624, যা হরিয়ানার নিবন্ধিত। সেই সূত্র ধরেই রাত সাড়ে দশটা নাগাদ পুলিশ আটক করে মহম্মদ সলমন নামে এক যুবককে। তিনিই গাড়ির মালিক বলে নিশ্চিত হয়েছে তদন্তকারীরা। তবে তাঁর সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠনের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, পুলিশের একটি দল ইতিমধ্যেই হরিয়ানার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

ঘটনার পরেই দিল্লির পুলিশ কমিশনার সতীশ গোলচা ফোনে বিস্তারিত তথ্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। পরে শাহ নিজে উপস্থিত হন ঘটনাস্থলে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিল্লি পুলিশ কমিশনার জানান, “সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট নাগাদ একটি গাড়ি ধীরে এসে থামে, তারপরেই ঘটে বিস্ফোরণ। আশপাশের অন্তত ২২টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” লালকেল্লার মতো সংবেদনশীল এলাকায় এই বিস্ফোরণ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রশাসনিক মহলে। সন্ত্রাসবাদী নাকি নাশকতা — তদন্তের সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। দিল্লির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতেও জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

আরও পড়ুন- দিল্লি বিস্ফোরণের জের: কলকাতার সব থানাকে সতর্ক করেছে লালবাজার, গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চলছে নাকা চেকিং

_

_

_

_

_

_
_


