প্রথমবার জনগণনা করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এতদিনে সম্মতি মিলিছে মন্ত্রিসভার। তবে তা শুরু হতেই এখনও একবছরের বেশি সময় দেরি আছে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হবে জনগণনার (census) কাজ। লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে এই জনগণনা হবে ওই বছর সেপ্টেম্বর মাসে। গোটা প্রক্রিয়ায় খরচ হবে ১১ হাজার ৭১৮.২৪ কোটি, জানা গিয়েছে মন্ত্রিসভার (union cabinet) বৈঠকের পরে।

ফের একবার মাঠে নামতে হবে রাজ্যের স্কুল শিক্ষকদের। রাজ্য সরকারগুলিকেই এই জনগণনার কাজের জন্য ফিল্ড ওয়ার্ক করতে হবে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রক। বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের ব্যাপক জনগণনার কাজে প্রায় ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। যার ফলে ভরসা সেই স্কুল শিক্ষকরা (school teachers)। নিজেদের নির্দিষ্ট কাজের পাশাপাশি শিক্ষকদের এসআইআরের (SIR) কাজের মতই কাজ করতে হবে। কারণ এই জনগণনা ডিজিটাল (digital) হবে। এই ফিল্ড ওয়ার্কের (Field work) ব্যয়ভারও বহন করতে হবে রাজ্যের সরকারগুলিকেই (state governments)।
এবারের জনগণনা দুটি ধাপে হবে। প্রথমে গণনা হবে গৃহ ও আবাসন সংখ্যা (house listing)। দ্বিতীয় ধাপে প্রত্যেক ব্যক্তির ইনিউমারেশন (population enumeration) হবে। মোবাইল অ্যাপে (mobile app) গোটা কাজ হবে। জনগণনার জন্য একটি নির্দিষ্ট পোর্টাল (portal) ব্যবহার করা হবে যার নাম সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS)। এই পোর্টালে সাধারণ মানুষ নিজেদের তথ্য নিজেরা তোলার সুযোগও পাবেন। ২০২৭ জনগণনায় জাতিগত জনগণনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বিরোধী দলগুলির দাবি মেনে।


২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে জনগণনার প্রতি কোনও আগ্রহ দেখায়নি নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকার। ফলে বর্তমানে দেশে নির্দিষ্ট জনসংখ্যা কত তার স্পষ্ট কোনও ধারণাই নেই। এতদিনে মোদি সরকারের মনে হয়েছে জনগণের জন্য উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ ও কর্মসংস্থানের জন্য জনসংখ্যার স্পষ্ট ধারণা প্রয়োজন। ফলে ২০২৭ সালে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হচ্ছে গোটা দেশের জনগণনা।

–

–

–
–
–
