টানা পাঁচ ঘণ্টার উৎকণ্ঠা। শেষ পর্যন্ত জয়ের খবর এসেছিল ৪ নভেম্বর। নিউইয়র্ক শহরের মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন জোহরান মামদানি (Zohran Mamdani)। মেয়র পদে ১ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার (oath taking) আগে সেই রাতের কয়েক ঘণ্টার কথাই মনে পড়ছিল মামদানির। তবে আবেগপ্রবণ হলেও নিউইয়র্কের (New York City) মানুষের উন্নয়নে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তাতে যে অবিচল রয়েছেন, শপথের মধ্যে দিয়ে সেটা প্রমাণ করে দিলেন তিনি।

নিউইয়র্ক শহরের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র (youngest Mayor) হিসাবে বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণ জোহরান খোয়ামে মামদানির। সেই সঙ্গে তিনি শহরের প্রথম ইসলাম ধর্মাবলম্বী মেয়র। তাঁর শপথের আগে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পও (Donald Trump)। যেভাবে নিউইয়র্কের মেয়র পদে মামদানির জয় আমেরিকায় চমক এনেছিল, সেভাবেই তাঁর শপথ অনুষ্ঠানেও চমকের প্রত্যাশা করা হয়েছিল।
প্রত্যাশীদের হতাশ করেননি মামদানি। নির্বাচনী প্রচারে মামদানির প্রথম ও প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল নিউইয়র্ক শহরের সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের জনজীবনকে সহজ করা। তার মধ্যে যেমন বাসস্থান রয়েছে, তেমনই রয়েছে পরিবহন। সেই মধ্যবিত্ত মানুষের কথা মাথায় রেখে মধ্যরাতে মামদানি (Zohran Mamdani) শপথ নিলেন নিউইয়র্কের (New York City) সিটি হল সাবওয়ে স্টেশনে (subway station)। উপস্থিত ছিলেন শহরের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমস। উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী রমা দুয়াজি, মা চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার এবং বাবা মাহমুদ মামদানি।

আরও পড়ুন : মায়ের মৃত্যুতে রাজনীতির নতুন পর্বে তারিক! দক্ষিণ এশিয়াকে ধন্যবাদ

বৃহস্পতিবার শহরে আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের আগেই মধ্যরাতে সাবওয়ে স্টেশনে শপথ নিয়ে নিজের দায়িত্ব মনে করিয়ে দেন মামদানি। সেখান থেকে তিনি জানান, তিনি এবং তাঁর দল কর্মজীবী মানুষের জন্য কাজ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা, যে মানুষেরা নিউইয়র্কের মতো শহরের প্রধান চালিকাশক্তি। শপথ গ্রহণের পাশাপাশি তাঁর দলের তরফে ছয় পদাধিকারির নামও এদিন ঘোষণা করেন মামদানি।

–

–

–
–
–
