বছরের শেষ দিনে সারা দেশ জুড়ে ধর্মঘটের পথে হেঁটেছিলেন ডেলিভারি কর্মীরা। সমস্যার মুখে সুইগি এবং জোম্যাটো ইন্সেন্টিভের ঘোষণা করে। ফের একদিন যেতে না যেতেই আবার ধর্মঘট। তবে এবার তা করলেন ব্লিঙ্কিটের গিগ কর্মীরা (Blinkit Gig Workers strike)। অতিরিক্ত পরিশ্রম থেকে কম পারিশ্রমিকের মতো একাধিক ইস্যু নিয়ে শুক্রবার কলকাতায় ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন ই-কমার্স সংস্থার ডেলিভারি কর্মীরা।

গিগ শ্রমিকদের তরফে বিশ্বজিৎ নস্কর বলেন, “আমরা ব্লিঙ্কিট রাইডার্সরা যে সব কারণে ধর্মঘট করছি, তার মধ্যে প্রধান হল খুবই কম পারিশ্রমিক। পে-আউটের যে সমস্যা রয়েছে, তা নিয়ে গত দু’মাস ধরে সবাই মিলে ম্যানেজমেন্টকে বলা সত্ত্বেও তাঁরা শুনছেন না। বাধ্য হয়ে আমরা ধর্মঘটে শামিল হয়েছি।” পাঁচ দফা দাবি নিয়ে বছরের প্রথম দিন থেকেই অবরোধ শুরু করেছেন খানপুরের ব্লিঙ্কিট রাইডার্স গিগ শ্রমিকেরা।টালিগঞ্জের নেতাজিনগর থানা এলাকায় বাঁশদ্রোণী সংলগ্ন খানপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় কর্মরত ব্লিঙ্কিট-এর ৬০ জন বাইকচালক বৃহস্পতিবার থেকে ধর্মঘট শুরু করেন। শুক্রবার তাতে আরও সংখ্যা যোগ হল। বুধবার বর্ষবরণের আগে প্রচুর পণ্যের অর্ডার থাকায় ডেলিভার কর্মীদের উপরেও চাপ ছিল। সংস্কার লাভ করলেও কর্মীদের প্রাপ্য বাড়ানো হয়নি। তাঁদের অভিযোগ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্ডার পৌঁছতে তাদের দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোয় প্রাণের ঝুঁকি থাকে পাশাপাশি গাড়ির তেলের খরচ নিজেকেই বহন করতে হয়। দিনে ১৫-১৬ ঘণ্টা কাজ করেও দৈনিক ৫০০ টাকারও কম। বাইকের মাসিক কিস্তিও যায় নিজের পকেট থেকে।ওয়েস্ট বেঙ্গল গিগ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতৃত্বে নেতাজিনগর থানায় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন সেখানে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। সেখানে রয়েছে, পারিশ্রমিক বৃদ্ধি, কাজের সময় নির্দিষ্ট করা, দৈনিক ইনসেনটিভ বৃদ্ধি, কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা এবং সামাজিক সুরক্ষা প্রদানের দাবি। প্রশাসনের তরফে কর্তৃপক্ষ, গিগ কর্মী এবং ইউনিয়নের সঙ্গে দ্রুত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আরও পড়ুন: SIR শুনানিতে ডাক পাওয়ায় আতঙ্ক! প্রৌঢ়ার আত্মহত্যার অভিযোগ

–
–

–

–

–

–

–

–


