রণসঙ্কল্প সভার প্রথম কর্মসূচি কেন বারুইপুরে? কেন এই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মাটিকেই বেছে নেওয়া হল? শুক্রবার রণসঙ্কল্প সভার শুরুর দিনেই তার ব্যাখ্যা দিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বললেন, “কালীঘাট জন্মভূমি হলে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা আমার কর্মভূমি। তাই আপনাদের আশীর্বাদকে পাথেয় করে এদিন থেকে এই জেলা থেকে শুরু করলাম ‘আবার জিতবে বাংলা’র কর্মসূচি।” এছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের মাটি থেকে রণসঙ্কল্প শুরু করার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে। সেটিরও ব্যাখ্যা করেন তিনি। 

অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “সিপিএমের যখন রমরমা, সিপিএমের সূর্য যখন মধ্য গগনে, তখন পরিবর্তনের চাকা প্রথম ঘুরিয়েছিল এই দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা। ২০১১-য় এসেছিল পরিবর্তন। তাই প্রথম সভা সেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের মাটিতে।” ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের কথায়, “আমরা যখন শুভ কাজে বের হই, তখন মা-বাবার আশীর্বাদ নিয়ে বেরোতে হয়। আমি বারে বারে বলেছি, কালীঘাটে আমার জন্ম হতে পারে। কিন্তু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি মৃত্যু যেন এই জেলার মাটিতে হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনবার বাংলার মানুষ মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। সেখানে এই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা।”
আরও খবর: ভাঙড় জিতে এবার ৩১-এ ৩১: দক্ষিণ ২৪ পরগনার টার্গেট বাঁধলেন অভিষেক, ২১-এর থেকে আসন বাড়বে তৃণমূলের

অভিষেক বলেন, “এই মাটি থেকেই শপথ নিচ্ছি, আমি বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে যাব। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যাতে মানুষের কোনও অসুবিধা না হয়, সাধ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়াব। শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার, ৬ তারিখ বীরভূম, ৭ তারিখ উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, ৮ তারিখ মালদহ, এরপর পুরো জানুয়ারি মাস ধরেই এই রণসঙ্কল্প সভা চলবে। আপনারা মাঠে-ময়দানে লড়াই করবেন, আমিও আপনাদের সহকর্মী ও সতীর্থ হিসেবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক হিসেবে লড়াই করে যাব। মানুষকে সঙ্ঘবদ্ধ করে এই লড়াই লড়তে হবে। যেখানে যেতে বলবেন অভিষেক সেখানে যাবে। একটা বুথেও বিজেপিকে গণতান্ত্রিকভাবে মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যাবে না।”
–

–

–

–

–

–

–

