ভারতীয় ফুটবল তারকাদের ফিফার (FIFA) কাছে আবেদনের পরেই আইএসএল(ISL) জট কাটাতে নড়েচড়ে বসেছে সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)। দ্রুত জট খোলার জন্য আগামীকাল কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিং ডাকতে পারে এআইএফএফ(AIFF)। শনিবারই ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহেই আইএসএলের(ISL) দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে।

সূত্রের খবর, ১৫ ফেব্রুায়রি থেকে আইএসএল শুরু করতে পারে ফেডারেশন। এএফসির অনুমোদন নিয়ে ক্রীড়াসূচি ঘোষণা করবে ফেডারেশন। জট কাটার আভাস পাওয়া গেলেও, কিছু প্রশ্ন থাকছেই। প্রথম ফেডারেশন আইএসএলের জন্য যে টাকা খরচ করবে সেটা কার্যকরী সমিতির অনুমোদন নিয়েই। আইএসএল আয়োজনের জন্য ৫ কোটি টাকা খরচ করতে হলে সেটাও করতে হবে কার্যকরী কমিটির অনুমোদন নিয়েই।

ফেডারেশন জানত FSDL-র সঙ্গে তাদের চুক্তি শেষ হচ্ছে, ফলে আগে থেকে কেন ভবিষ্যত ঠিক করতে উদ্যোগী হল না ফেডারেশন। ভরা মরশুমে বন্ধ দেশের ফুটবল। দিনের পর দিন চলে যাচ্ছে। মরশুমের যে টুকু সময় বাকি আছে তাতে পুরানো ফর্ম্যাটে আইএসএল হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ফেডারেশনের দাবি মতো আইএসএএলের আয়োজনের জন্য প্রতিটি দলকে ৭ কোটি টাকা দিতে রাজী নয়।
ফেডারেশনে তিন সদস্যর কমিটি প্রস্তাব দিল, কয়েক কোটি টাকা ফেডারেশনকে দিয়ে আইএসএল শুরু করতে হবে। আর ফেডারেশন সেটা কার্যনির্বাহী কমিটিকে না জানিয়ে ক্লাবদের প্রস্তাব দিয়ে দেবে। এরকমটা হয় ফেডারেশন বলছে নিজেরা দেশের সর্বোচ্চ পুরুষদের লিগ আয়োজন করবে। ফেডারশনের যে টুকু টাকা আছে সব শুধু আইএসএলের জন্য দিয়ে দেবে, তিন মাসের একটা টুর্নামেন্টে মোটা অঙ্কের টাকা ফেডারেশন খরচ করলে আই লিগের কী হবে? অন্যান্য জুনিয়র ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামের টাকা থাকবে তো ফেডারেশনের কাছে? শুধু তিন মাসের জন্য আইএসএল করলেই সব সমস্যা মিটে যাবে? কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমতি ছাড়া ক্লাব গুলোকে সরকারিভাবে প্রস্তাব দেওয়া যায় কি?

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মডেলেই আইএসএল করতে। যে সমস্ত দলের হোম ম্যাচে দর্শক হয় না, তারা কলকাতা বা কেরলে তাদের হোম ভেন্যু করে খেলুক। তাতে কিছু দর্শক পাওয়া যাবে। তবে লিগে প্রতি টিমের ম্যাচের সংখ্যা ১৩-১৪-র বেশি হবে না। আপাতত ওডিশা বাদে ১৩ টিমের লিগে খেলার কথা।

আর লিগ খেলার জন্য যে এক কোটি টাকা দিতে হবে, তা মেটানোর জন্য আগামী জুন পর্যন্ত সময় পাবে ক্লাবগুলি।

–

–

–



