রাজ্যজুড়ে ‘আবার জিতবে বাংলা’ কর্মসূচি নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal assembly election) কয়েক মাস আগেই ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বারুইপুর, আলিপুরদুয়ারের পর মঙ্গলবার বীরভূমে (Birbhum ) জনসংযোগ কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের। এদিন রামপুরহাট বিধানসভার বিনোদপুর মাঠে অভিষেকের মেগা জনসভার শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি তুঙ্গে। দলীয় সূত্রে খবর, আজ হেলিপ্যাড থেকে সোজা তারাপীঠ মন্দির (Tarapith Temple) পৌঁছাবেন অভিষেক। সেখান থেকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে সোনালি বিবির (Sonali Bibi) সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে তাঁর।

কখনও এসআইআরের নামে বাংলার মানুষকে সমস্যায় ফেলা তো কখনও বাংলা বলার অপরাধে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে দেওয়া কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এদিন সুর ছড়াবেন তৃণমূল সাংসদ। বাংলা বলার কারণে বাংলাদেশের পুশব্যাক করা হয়েছিল অন্তঃসত্তা সোনালিকে। প্রথম থেকেই এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছে রাজ্যের শাসক দল। সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। কার্যত চাপের মুখে পড়ে আদালতের নির্দেশে সোনালিকে দেশে ফেরাতে বাধ্য হয়েছে মোদি সরকার। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক আগেই সোনালি সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। জানা গেছে এদিনের জনসভার আগেই তিনি রামপুরহাট হাসপাতালে সাক্ষাৎ করবেন সোনালির সঙ্গে। বীরভূমের তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছে এই জনসভা আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় ১১টি আসনে জয়ের পথ আরও মসৃণ করবে। তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে যে উন্মাদনা ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলন এই সভাতেই দেখা যাবে। দলীয় সূত্রের মতে, জনসভায় কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগম হতে পারে এবং বিনোদপুর মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলে দাবি করেছেন কাজল শেখ।বিনোদপুর মাঠ-সহ আশপাশের গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তাবেষ্টনীতে। সভাস্থলে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী ও নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রের খবর।

–
–

–

–

–

–

–

–


