বাংলা-বিদ্বেষী মোদি সরকার বাংলায় এসে বাংলা ভাষার গুণগান করছেন। যাঁরা বাংলাকে বাংলাদেশি ভাষা বলে দাগিয়ে দেন, বিজেপির রাজ্যে বাংলাভাষী শ্রমিকদের খুন করে, নির্যাতন করে পুশব্যাক করিয়ে দেন, তাঁদের মুখে বাংলার কথা মানায় না। সিঙ্গুরের সভায় নাটকীয় আস্ফালনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, তাঁর সরকার বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। মোদির এই মিথ্যাচারের প্রতিবাদে পয়সা চোর, ভোট চোর, ডেটা চোর, ক্রেডিট চোর বলে কটাক্ষ করে তৃণমূল আসল সত্য প্রকাশ করে।

মোদির মিথ্যা ভাষণের পর সমাজ মাধ্যমে তৃণমূল জানিয়ে দেয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অনেক গবেষণা করে একটি চার খণ্ডের বিশাল সংকলন তৈরি করা হয়েছিল। সেই সংকলনে প্রমাণ দেওয়া হয়েছে, বাংলা ভাষার শিকড় ২,৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো। বাংলা ভাষার ধ্রুপদী মর্যাদার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন। তবুও বাংলা-বিরোধী, বাঙালি-বিদ্বেষী মোদি সরকার বছরের পর বছর সেই দাবিকে উপেক্ষা করেছিল। মোদিজির দল আসলে যা করেছে তা হল— বাংলাকে ‘বাংলাদেশি ভাষা’ বলেছে। দাবি করেছে যে, বাংলা বলে কোনও ভাষাই নেই। জনগণনার নথিতে যারা বাংলাকে তাদের মাতৃভাষা হিসেবে উল্লেখ করেছে, তাদের বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছে। বাংলা বলার ‘অপরাধে’ অসহায় মানুষকে আটক, হেনস্থা, দেশছাড়া করেছে এবং মারধরও করেছে।

আরও পড়ুন- বিজেপি শাসিত অসমে ফের বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু! খুনের অভিযোগে সরব পরিবার
_

_

_

_

_

_

_
_


