প্রথা ভেঙে এবার ছুটির দিন রবিবারেই সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এটি তাঁর নবম বাজেট ভাষণ। দেশের আর্থিক মানচিত্র কোন দিকে ঘুরবে তা নিয়ে জল্পনা থাকলেও, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে কৌতূহল এখন তুঙ্গে। বিশেষ করে চলতি বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় নির্মলার ঝুলি থেকে বাংলার জন্য বিশেষ কিছু বেরোবে কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করে আসছে যে, কেন্দ্র বাংলাকে লাগাতার আর্থিক বঞ্চনা করে চলেছে। আবাস যোজনা থেকে শুরু করে গ্রামীণ সড়ক— একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। সবথেকে বড় বিতর্ক ১০০ দিনের কাজ নিয়ে। কাজ করেও রাজ্যের কয়েক লক্ষ শ্রমিক তাঁদের ন্যায্য মজুরি পাননি বলে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী না থেকে রাজ্যের নিজস্ব তহবিল থেকেই সেই বকেয়া টাকা মেটাতে হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। এই তিক্ত পরিস্থিতির আবহে রবিবারের বাজেটে রাজ্যের জন্য নতুন কোনও বরাদ্দের ঘোষণা হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

শিল্প ও বাণিজ্যিক মহল অবশ্য তাকিয়ে রয়েছে কর কাঠামোর দিকে। দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলি ব্যবসায়িক সুরাহা পেতে নীতিগত সহায়তা এবং জিএসটি বা পণ্য ও পরিষেবা কর ব্যবস্থার সরলীকরণের দাবি তুলে আসছে। জিএসটি-র যৌক্তিকতা নিয়েও নানা মহলে প্রশ্ন রয়েছে, যার উত্তর এই বাজেটে মিলবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের অর্থনীতি কিছুটা চাপের মুখে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে ডলারের তুলনায় ভারতীয় টাকার দাম কমে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। টাকার এই ঐতিহাসিক পতন আমদানিকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

আরও পড়ুন- সোমে মাধ্যমিক, এখনও নেই অ্যাডমিট! ৮৬টি স্কুলকে চরম হুঁশিয়ারি পর্ষদের

_

_

_

_

_

_
_


