অতিসক্রিয় দিল্লি পুলিশ। দিল্লির বঙ্গভবন থেকে শুরু করে WBSEDCL-যেখানেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা SIR প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি রয়েছে, সেখানেই তারা হেনস্থা করছে বলে অভিযোগ। সকালে বাড়িতে পরার শাড়িতেই পুরনো বঙ্গভবনে পৌঁছে যান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এর পরে WBSEDCL-তে যান তৃণমূল সাংসদরা (TMC MP)। ছিলেন কাকলি ঘোষদস্তিদার, দোলা সেন, সাগরিকা ঘোষ, বাপি হালদার, সাকেত গোখলে। সেখানে গিয়ে দিল্লি পুলিশের এক্তিয়ার বহির্ভূত হস্তক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ করেন তাঁরা।

দিল্লি পুলিশের (Police) নজরদারি ও হেনস্থার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনার পারদ চড়ছে রাজধানীতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরে ময়দানে নেমেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ, দোলা সেন, বাপি হালদাররা। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, বাংলাকে রাজনৈতিক ভাবে চাপে ফেলতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছে।
কাকলি ঘোষদস্তিদার, সাকেত গোখলের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের আধিকারিকদের তীব্র বাদানুবাদ হয়। অভিযোগ, বাংলা থেকে যাওয়া পরিবারের শিশুর জন্য দুধ পর্যন্ত কিনতে যেতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। WBSEDCL ভবনের দুটি গেটে তালাও দিয়েদেয় পুলিশ। হুমকি দেয় কেউ বেরোলেই আটক করা হবে। এর প্রতিবাদে যখন তৃণমূল সাংসদরা আটক করার নির্দেশনামা দেখতে চান তখন মুখ বাঁচাতে দূরে সরে যান দিল্লি পুলিশের অফিসাররা। WBSEDCL-এর গেটের সামনে বড় পুলিশের ভ্যান দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। লোকসভা-রাজ্যসভার সাংসদদের সঙ্গে অভব্য ব্যবহার করা হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেন সাংসদ দোলা সেন। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, দিল্লিতে দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) এসেছেন, অভিষেক এসেছে- চিন্তা করবেন না। সবাই আপনাদের পাশ আছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন, আমাকে পেশি দেখিয়া লাভ নেই। এদিকে, নির্বাচন কমিশন যে তাঁকে ভয় পেয়েছে, তা বোঝা গিয়েছে তাদের কাজে। সেখানে বেনজির নিরাপত্তা বলয়। মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনে বৈঠকে যাওয়ার আগে বাড়তি নিরাপত্তা দিল্লি পুলিশের। ব্যাপক সংখ্যায় মহিলা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

–

–

–
–
–
