ফের উত্তাল বাংলাদেশ! তবে বিক্ষোভ এবার ইউনূস বিরোধী। সামনেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন আর আগেই বৃহস্পতিবার সকালেই দেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের (Mohammed Yunus) বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভে শামিল হলেন সরকারি কর্মীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন বলে খবর।

এদিন সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি কর্মীরা শহিদ মিনারে জমায়েত হন। সেখান থেকে তাঁরা মিছিল করে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র দিকে এগোনোর চেষ্টা করেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি কর্মীরা আর্থিক বঞ্চনার শিকার। অবিলম্বে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও তার বাস্তবায়নের দাবি তোলেন তাঁরা। মিছিলে শোনা যায়, “পেটে ভাত নেই—কিসের উন্নয়ন হচ্ছে?”

বিক্ষোভ রুখতে ঢাকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ব্যারিকেড বসানো হয়। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা একের পর এক ব্যারিকেড ভাঙতে শুরু করলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ শাহবাগে আরও একটি ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা হলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং জল কামান ব্যবহার করে। কিছু বিক্ষোভকারী ইউনূসের বাসভবনের সামনেও পৌঁছে যান। পরে পুলিশ টেনে-হিঁচড়ে তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। আরও পড়ুন: ‘৫০০ মহিলা নিখোঁজ’-এর ভুয়ো সংবাদ রটিয়ে মর্দানি ৩ সিনেমাকে হিট করার অভিযোগ দিল্লি পুলিশের

আহত আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি, বিক্ষোভ দমনের নামে এই ধরনের পদক্ষেপ চলতে থাকলে তাঁরা আসন্ন সাধারণ নির্বাচন বয়কট করতে বাধ্য হবেন। যদিও পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মাসুদ আলম জানান, “আইনশৃঙ্খলার অবনতি যাতে না হয়, সে জন্য আমরা সতর্ক রয়েছি। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।” নির্বাচনের আগে এই বিক্ষোভ রাজধানীর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

–

–

–

–

–

–

