সামনেই নির্বাচন(Election), আর তার আগেই বিহার থেকে তিলোত্তমায় আনা হচ্ছে কার্তুজ! তবে শেষরক্ষা হলো না। কলকাতায় অটো থামিয়ে এক অস্ত্র কারবারিকে পাকড়াও করে বড়সড় ছক ভেস্তে দিল লালবাজারের গোয়েন্দারা। রাসবিহারী কানেক্টরে একটি চলন্ত অটো থামিয়ে হাতেনাতে ধরা হয় বিহারের গয়া থেকে আসা আগ্নেয়াস্ত্র পাচারকারীকে (Arms Recovered)।

গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল ঝাড়খণ্ড ও বিহার সীমান্ত পেরিয়ে বাসে করে এক যুবক অস্ত্রের পাহাড় নিয়ে শহরে ঢুকছে। সেই মতো সোমবার দুপুর থেকেই কসবা এলাকায় জাল বিছিয়েছিল লালবাজারের অ্যান্টি রাউডি স্কোয়াড(ARS)। তাঁরা গড়িয়াহাট (Gariahat)থেকে ইএম বাইপাস (EM Bypass)যাওয়ার রাস্তাতেই ছিল এদিন। প্রতিটি সন্দেহভাজন ট্যাক্সি ও অটোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। দুপুর একটা নাগাদ একটি অটো আটকে পাকড়াও করা হয় পাচারকারীকে। আরও পড়ুন: ৩০ টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন করে আত্মসমর্পণ! চাঞ্চল্য হাড়োয়ায়

ধৃত ব্যক্তি মহম্মদ ইশতেয়াক (Mohammad Ishteyak)(৩৮) বিহারের(Bihar)গয়ার গুরুয়া থানার বাসিন্দা। গোয়েন্দারা তার ব্যাগ তল্লাশি করতেই উদ্ধার করেছেন ৩টি সিঙ্গল শুটার পিস্তল(Single shooter gun) , ২টি সিক্স চেম্বার (৬ ঘড়া) রিভলভার(Six chamber gun), ১টি অত্যাধুনিক ৭ এমএম পিস্তল(Mm gun), ১১ রাউন্ড কার্তুজ(Cartridge)।

ভোটের ঠিক আগে কার নির্দেশে এই মরণাস্ত্র কলকাতায় আনা হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গোয়েন্দাদের ধারণা, এই পাচার চক্রের অনেকেই জড়িত হতে পারে। ধৃত ইশতেয়াককে জেরা করে ,অস্ত্রগুলি কলকাতার কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল বা শহরে কোনও বড়সড় অশান্তি পাকানোর ছক ছিল কি না অথবা এই কারবারের নেপথ্যে কোনও প্রভাবশালীর মদত রয়েছে কি না , তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
নির্বাচনের মুখে এই বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারকে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের একটি বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই চক্রের সাথে জড়িত বাকিদের হদিস পেতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের অ্যান্টি রাউডি স্কোয়াড (ARS)।

–

–

–

–

–

–

