নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের তালিকা নিয়ে ‘অপপ্রচার’ ও ‘ভ্রান্ত তথ্য’ ছড়ানোর অভিযোগ তুলল নবান্ন। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গ্রুপ-বি আধিকারিকদের যে ডেটাবেস কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে কোনও অনিয়ম নেই। বরং সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন এবং রাজ্যের নিজস্ব অর্থ দফতরের নিয়ম মেনেই গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছিল যে, গ্রুপ-বি আধিকারিকদের তালিকায় কারচুপি করা হয়েছে। কেউ কেউ দাবি করেছিলেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে এই তালিকা তৈরি করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলার চেষ্টা চলছে। এই বিতর্ক দানা বাঁধতেই মুখ খুলল রাজ্য প্রশাসন। নবান্ন থেকে জারি করা বিবৃতিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ২০২০ সালে অর্থ দফতর রাজ্য সরকারি কর্মীদের শ্রেণিবিভাগের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছিল। সেখানে স্পষ্ট বলা আছে, কোন কোন পে-লেভেলের কর্মীরা গ্রুপ-এ, বি, সি বা ডি-র অন্তর্ভুক্ত হবেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকাটি হুবহু সেই বিধি মেনেই তৈরি করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের বিচ্যুতি বা প্রশাসনিক কারচুপির সুযোগ নেই।

নবান্নের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে জনমানসে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে। সুপ্রিম কোর্ট যখনই কোনও বিষয়ের রূপরেখা ঠিক করে দেয়, রাজ্য সরকার তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। এক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের একাংশে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা ‘ভিত্তিহীন ও মনগড়া’। ভোট পরিচালনার জন্য আধিকারিকদের যে তথ্যভাণ্ডার প্রয়োজন হয়, তা অত্যন্ত সংবেদনশীল। সেই তথ্যের সুরক্ষা ও সঠিকতা নিশ্চিত করেই কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে বলে দাবি রাজ্যের।


_

_

_

_

_

_
_


