তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করাই একমাত্র লক্ষ্য বিজেপির। তার জন্যে যত নীচে নামা যায় ততটা নীচেই নামে ভারতীয় জনতা পার্টি। তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) ও জন সুরাজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোরের মেসেজ চ্যাট ভাইরাল হয়েছে স্ক্রিনশট আকারে। যদিও এই চ্যাটের সত্যতা যাচাই করেনি বিশ্ব বাংলা সংবাদ। এই ভুয়ো চ্যাট (Chat) নিয়েই কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মহুয়া। ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্তের সন্ধান পায় পুলিশ (Police)। অভিযুক্ত বিজেপির মিডিয়া সেলের হয়ে কাজ করেন। উত্তরপ্রদেশে পৌঁছে কোতোয়ালি থানার পুলিশকে হেনস্থার শিকার হতে হয়।

মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) এবং পিকের (PK) চ্যাট কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার ডিজিটাল ফরেনসিক বিভাগ তদন্ত করে। তারা নিশ্চিত করে যে চ্যাটটি সম্পূর্ণ মনগড়া ও মিথ্যে। অভিযোগ, নয়ডার বাসিন্দা সুরজিৎ দাশগুপ্ত নামে ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভুয়ো চ্যাট পোস্ট করেন। এরপরই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয় এবং আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁকে থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি আসেননি। আদালতের অনুমতি নিয়ে পরে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করে পুলিশ।

এই পরোয়ানার ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানার চার সদস্যের একটি বিশেষ দল নয়ডায় যায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে। কিন্তু অভিযোগ, নয়ডার স্থানীয় পুলিশের হস্তক্ষেপে সেই গ্রেফতার কার্যকর করা যায়নি। অভিযোগ, ফেজ-টু থানার অধীনে চৌকি নম্বর ১১০-এর পুলিশকর্মীরা কৃষ্ণনগরের বিশেষ দলকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন এবং অভিযুক্তকে পালাতে সাহায্য করেন। এমনকি আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রায় দেড় ঘণ্টা থানায় বসিয়ে রাখা হয় বাংলার পুলিশ দলকে।

কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার IC জানিয়েছেন, স্থানীয় পুলিশের তরফে নাকি জানানো হয়েছে ‘রাজনৈতিক উচ্চ মহলের নির্দেশ’ থাকায় গ্রেফতার করা যাচ্ছে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি বিজেপির স্থানীয় মিডিয়া সেলের সঙ্গে যুক্ত।

যদিও এই ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কোতোয়ালি থানা। পুলিশ সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগর পুলিশের বিশেষ দল এখনও নয়ডায় রয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

–

–

–

–

–


