ফের ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কাউন্সিলর-বিএলএ ১ এবং বিএলএ ২ নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে ফিরে কালীঘাটের বাসভবনে এই বৈঠক হয়। মূলত এসআইআর শুনানির দিন পিছিয়ে যাওয়ায়(১৪ ফেব্রুয়ারি) ওই ক’টা দিন বাড়তি নজরে যেন কোনওরকম ঢিলেমি না হয় সেই নির্দেশই দিয়েছেন নেত্রী।

মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও দেবাশিস কুমারের উপস্থিতিতে বিএলএ’দের নেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপনারা এসআইআর পর্বে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। আরও কয়েকটি দিন এই পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে। বিজেপিকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়া যাবে না। নেত্রীর নির্দেশ, এই যে শুনানির দিন বাড়ল, এই ক’টা দিন নতুন করে কারা ডাক পাচ্ছেন, কারা যেতে পারছেন না, কাদের নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা সব দেখে শুনে নোট করতে হবে। এদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এই কেন্দ্রের একজন বৈধ ভোটারের নামও যাতে বাদ না পড়ে তা সুনিশ্চিত করতে হবে। এই ক’টা দিন নাওয়া-খাওয়া ভুলে মাটি কামড়ে রাস্তায় পড়ে থাকতে হবে। আরও বেশি করে মানুষের বাড়িতে যান। তালিকা মিলিয়ে খোঁজ নিন কোথাও কোনও সমস্যা আছে কি না। নেত্রী জানিয়েছেন, বিজেপির নির্দেশে নির্বাচন কমিশন যেসব কাজকর্ম করছে সেদিকে তীক্ষ্ম নজর রাখতে হবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্মরণ করিয়ে দেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাইরে থেকে আসা (বিজেপি শাসিত রাজ্য) মাইক্রো অবজারভারদের ক্ষমতা খর্ব হয়েছে। ওরা চাইলেও আর নাম বাদ দিতে পারবে না। শেষ কথা বলবেন ইআরও-রা। কিন্তু তবুও চোখ-কান খোলা রেখে সবটা নজরে রাখতে হবে। কোথাও কোনও সমস্যা দেখা দিলে দলকে তৎক্ষণাৎ জানাতে হবে। ফিরহাদ হাকিম ও দেবাশিস কুমাররা যেমন পুরোটা নজরে রাখছেন নিয়মিত তেমনি নজরদারি চালিয়ে যাবেন এবং নেত্রীকে রিপোর্ট করবেন। এদিন সব মিলিয়ে প্রায় ২৮০ জন এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এসআইআরের এই শেষপর্বে দলের কাউন্সিলর এবং বিএলএ-দের ফের একবার পেপটক দিয়ে মনোবল বাড়িয়ে দিলেন নেত্রী। লক্ষ্য একটাই, বাংলাবিরোধী জমিদার বিজেপিকে এক ইঞ্চিও জায়গা নয়।

আরও পড়ুন- সহায়িকার নামে কি ‘মগজধোলাই’? নিজের ছবি লাগানো কোশ্চেন-ব্যাঙ্ক বিলি ত্রিপুরার মন্ত্রীর

_

_

_

_

_

_
_


