দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের হোম ম্যাচ কোথায় হবে, তা নিয়ে ক্লাব এবং লগ্নিকারী সংস্থার মধ্যে যে সংঘাত তৈরি হয়েছিল, তার সমাধানে সেই মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব ঠিক থাকলে, এবারের আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল তাদের সবকটি হোম ম্যাচ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেই খেলবে। মঙ্গলবার ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার নিখরচায় সল্টলেক স্টেডিয়াম ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে।

এবারের আইএসএল দেরিতে শুরু হওয়ায় ক্লাবগুলির ওপর আর্থিক চাপ বেড়েছে। সেই খরচ বাঁচাতেই লগ্নিকারী সংস্থা ইমামি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ডার্বি ছাড়া বাকি সব হোম ম্যাচ কিশোরভারতীতে খেলা হবে। কিন্তু তাতে প্রবল আপত্তি ছিল ক্লাব কর্তাদের। তাঁদের যুক্তি ছিল, মাত্র ৬ হাজার আসন বিশিষ্ট কিশোরভারতীতে লাল-হলুদের বিপুল সংখ্যক সমর্থক ও সদস্যদের জায়গা দেওয়া অসম্ভব। দেবব্রত সরকার কড়া ভাষায় জানিয়েছিলেন, সভ্য-সমর্থকরা মাঠে ঢুকতে না পারলে কর্তারাও খেলা দেখতে যাবেন না। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় লিগের চূড়ান্ত সূচিতে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচগুলি কিশোরভারতীতেই রাখা হয়েছিল।

শেষমেশ জট কাটাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হন ক্লাব কর্তারা। ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমর্থকদের জন্য সুখবর দিচ্ছি। রাজ্য সরকার বিনামূল্যে যুবভারতী ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। আমরা কোম্পানিকে অনুরোধ করছি, মুখ্যমন্ত্রী যে পদক্ষেপ করেছেন, তাকে সম্মান জানিয়ে সব কটি ম্যাচ যেন যুবভারতীতেই আয়োজন করা হয়।” যদিও মাঠের ভাড়া মকুব করা হয়েছে, তবে জেনারেটর ভাড়া বাবদ প্রায় ৮ লক্ষ টাকা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ ক্লাব বা লগ্নিকারী সংস্থাকেই বহন করতে হবে। ক্লাব কর্তাদের আশা, ইস্টবেঙ্গল পরিবারের আবেগের কথা ভেবে লগ্নিকারী সংস্থা এবার ইতিবাচক পদক্ষেপই নেবে। অন্যদিকে, আইএসএলের সম্প্রচার নিয়েও জট কাটার ইঙ্গিত মিলেছে। ফেডারেশন সূত্রে খবর, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফ্যানকোড বা অন্য কোনও চ্যানেলে খেলা দেখা যাবে কি না, তা চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন- সহায়িকার নামে কি ‘মগজধোলাই’? নিজের ছবি লাগানো কোশ্চেন-ব্যাঙ্ক বিলি ত্রিপুরার মন্ত্রীর

_

_

_

_

_

_
_


