আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার(Ahmedabad Air India crash) তদন্তে বড় অগ্রগতি। ইতালির একটি পত্রিকার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই দুর্ঘটনা একেবারেই কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়েছে। যদিও ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশনের (DGCA) তরফে এখনও চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি।

২০২৫ জুনে আমদাবাদ( Ahmedabad) থেকে উড়ানের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারটি ভেঙে পড়ে। এদিনের ঘটনায় বিমানে থাকা ২৬০ জন প্রাণ হারান কিন্তু বেঁচে যান একজন যাত্রী। সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা মনে করছেন বিমানের ইঞ্জিন ফুয়েল কাট অফ কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হয়নি। ককপিটের ভিতরে কেউ ইচ্ছেকৃতভাবে ফুয়েল সুইচ বন্ধ করে দিয়েছে।

এএআইবি-র প্রাথমিক রিপোর্টে ককপিট ভয়েস রেকর্ডিংয়ে দুই পাইলটের শেষ কথোপকথন প্রকাশ্যে আসার পর দেখা যায় একজন পাইলট বলছিলেন “Why did you cut off the fuel?” উত্তর আসে, “I did not do so.”। এরপরেই সন্দেহ আরও গভীর হয় যে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনরকম যান্ত্রিক গোলযোগ নয়, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবেই এই ধরণের কাজ করেছেন। সূত্রের খবর, ক্যাপ্টেন সুমিত সবরওয়াল বা কো পাইলট ক্লাইভ কুন্দরের মধ্যে কেউ একজন ওই সুইচ বন্ধ করেছিলেন।

যদিও সুমিত সবরওয়ালের উপর সন্দেহ বেশি তদন্তকারীদের কারণ দুর্ঘটনার এক মাস পর তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যে সংক্রান্ত কিছু সন্দেহজনক বিষয়ে প্রকাশ্যে আসে। তবে স্বাভাবিকভাবেই সুমিতের পরিবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রথম থেকেই তদন্তকারীদের নজর ছিল ককপিটের ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচের দিকে। ব্ল্যাক বক্সের ডেটাও দেখিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় বিমানের দুটি ইঞ্জিনই ম্যানুয়ালি বন্ধ ছিল। তদন্ত শেষ পর্যায়ে হলেও DGCA চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ না করা পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।

–

–

–

–

–


