উল্লাসিনী দাস। বাড়ি উত্তর চব্বিশ পরগনার চাঁদপাড়ার ঢাকুরিয়ার হঠাৎপাড়ায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উন্নয়নমূলক প্রকল্পের প্রশস্তি করে গান বেঁধেছেন তিনি- “আমার মমতাময়ী মা…”। কিন্তু হঠাৎপাড়ার বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব রাজ্য সরকারের (State Governmet) প্রকল্পের সুখ্যাতি করে গান রচনা কেন!

দিন-আনি-দিন-খাই পরিবারে। স্বামী অসুস্থ। ভাজাভুজি-লজেন্স ফেরি করে সংসার চালান উল্লাসিনী দাস (Ullashini Das)। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ পেটে টিউমার ধরা পড়ে। বিপুল অর্থ খরচের ভয়ে সিঁটিয়ে যান। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে দেখিয়ে জানতে পারেন, বিনামূল্য হবে অস্ত্রোপচার। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের অধীন অপরেশন করিয়ে আবার কাজে নেমে পড়েছেন উল্লাসিনী দাস। কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত প্রৌঢ়া। 

মুখ্যমন্ত্রী যখন ঠাকুরনগর গিয়েছিলেন, তখন দেখা করেছিলেন উল্লাসিনী। কিন্তু আবেগাপ্লুত হয়ে কোনও বলতে পারেননি। শুধু ‘মমতাময়ী মা’কে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন। সেই মুহূর্ত ধরা রয়েছে ছবিতে। সেই ছবি বুকে নিয়ে ঘোরেন তিনি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) জনকল্যাণমূলক প্রকল্প নিয়ে গান গেয়ে বেড়ান। নিজেই সেই গান (Song) বেঁধেছেন, নিজেই দিয়েছেন সুর। একবার এই গান শোনাতে চান তাঁর মমতাময়ী মা-কে। কী কী প্রকল্প পান উল্লাসিনী দাস? স্বাস্থ্যসাথী তো পেয়েছেন। তার সঙ্গে বার্ধক্যভাতাও পান।

বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক প্রকল্প-ভাতার সমালোচনা করে বিরোধীরা। কিন্তু সেটা যে শুধুই বিরোধিতার জন্য বিরোধ। তা প্রমাণ করে উল্লাসিনী দাসের মতো ভাতা-প্রাপ্ত প্রান্তিক মানুষের হাসি ও কৃতজ্ঞতা।

–

–

–

–

–

–

