পরিকাঠামোর দিক থেকে দেশকে বিরাট উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দাবি করা বিজেপির কেন্দ্রের সরকার উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রথম একটি জাতীয় সড়ককে আপৎকালীন রানওয়ে হিসাবে ব্যবহারের জন্য উদ্বোধন করল। আশ্চর্যজনকভাবে এমন একটি দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এই রানওয়ে উদ্বোধন করলেন, যেদিন দেশের বাণিজ্য নগরীতে (Mumbai) ভেঙে পড়ল নির্মীয়মান মেট্রো উড়ালপুলের একটি অংশ। যেখানে নিত্যদিন বেসরকারি উড়ান সংস্থার বিমানে গোলযোগের কারণে আপৎকালীন ল্যান্ডিং বা বিমান বাতিলের ঘটনা ঘটছে, সেখানে আপৎকালীন রানওয়ে উদ্বোধনে সমালোচনা বিভিন্ন মহলের।

শনিবার সকালে অসমের ডিব্রুগড়ের চাবুয়া বায়ুসেনাঘাঁটি থেকে সুপার হারকিউলিস বিমানে সওয়ার হন মোদি। সেখান থেকে পূর্বপরিকল্পিত ভাবেই মোরানের ৩৬ নম্বর জাতীয় সড়কে অবতরণ করেন। যার উপরে ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করে তৈরি হয়েছে ৪.২ কিলোমিটার লম্বা এমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটি। জরুরীকালীন কোনও পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমান ও পরিবহন বিমানের উড্ডয়ন ও অবতরণের কথা মাথায় রেখেই এই আপৎকালীন রানওয়ে তৈরি। এদিন অবতরণের পর অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও বায়ুসেনার আধিকারিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন মোদি। দাবি করা হয়েছে, এই রানওয়ে পরিকাঠামোটি সর্বোচ্চ ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং সর্বোচ্চ ৭৪ টন টেক-অফ ওজনের পরিবহণ বিমান পরিচালনা করতে পারবে। আরও পড়ুন: আমেরিকায় নিখোঁজ ভারতীয় পড়ুয়া! ঘনাচ্ছে রহস্য

বাস্তবে যেখানে বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো ভারতে সম্ভব হচ্ছে না, সেখানে বিমান পরিবহনের ক্ষেত্রে নজরদারির অভাবের দিকটি বারবার সামনে উঠে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের কোনও একটি প্রান্তে একটি হাইওয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশে রানওয়ের সুবিধা দেওয়ায় আদৌ দুর্ঘটনা কতটা এড়ানো সম্ভব হবে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পরিকল্পিতভাবে রানওয়ে কীভাবে আপৎকালীন রানওয়ে হতে পারে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

–

–

–

–

–

–

–


